ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নদীপাড় এলাকায় অবস্থিত সরকারি গুচ্ছ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে নাসিমা-১৯৬, আশার-১৯৫ ও রাহেলা-১৮০ নম্বর ঘরসহ তিনটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ একটি ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের আরও দুটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো এলাকা আতঙ্কে ভরে ওঠে এবং ঘুমন্ত পরিবারগুলো দৌড়ে বাইরে বের হয়ে প্রাণ রক্ষা করে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা জানান, তারা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। হঠাৎ আগুন ও ধোঁয়া দেখে বাইরে বের হয়ে আসেন। তাদের অভিযোগ, এটি দুর্ঘটনা নাও হতে পারে, বরং পরিকল্পিতভাবে মিটারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ আগুন দেখি। মনে হচ্ছে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা চরম আতঙ্কে আছি। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও তিনটি ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভও বাড়ছে। তারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রামবাসীর দাবি, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় না আনা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নদীপাড় এলাকায় অবস্থিত সরকারি গুচ্ছ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে নাসিমা-১৯৬, আশার-১৯৫ ও রাহেলা-১৮০ নম্বর ঘরসহ তিনটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ একটি ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের আরও দুটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো এলাকা আতঙ্কে ভরে ওঠে এবং ঘুমন্ত পরিবারগুলো দৌড়ে বাইরে বের হয়ে প্রাণ রক্ষা করে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা জানান, তারা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। হঠাৎ আগুন ও ধোঁয়া দেখে বাইরে বের হয়ে আসেন। তাদের অভিযোগ, এটি দুর্ঘটনা নাও হতে পারে, বরং পরিকল্পিতভাবে মিটারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ আগুন দেখি। মনে হচ্ছে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা চরম আতঙ্কে আছি। দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও তিনটি ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভও বাড়ছে। তারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রামবাসীর দাবি, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় না আনা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন