ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর থেকেই মেলাটি শহরের বাসিন্দাদের জন্য বিনোদন ও কেনাকাটার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, স্থানীয় জনগণের বিনোদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশের মুখেই দর্শনার্থীদের নজরে আসে সুসজ্জিত মূল ফটক, বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং নান্দনিক সাজসজ্জা। দর্শনার্থীদের অনেকেই জানান, আগের বছরের তুলনায় এবারের আয়োজন আরও পরিকল্পিত ও আকর্ষণীয় হয়েছে। এতে করে মেলার পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
মেলায় প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। তবে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যার ফলে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।
মেলার বিভিন্ন স্টলে দেশীয় পণ্য, পোশাক, হস্তশিল্প এবং গৃহস্থালী সামগ্রীর সমাহার দেখা যায়। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন স্টলে মূল্যছাড় ও বিশেষ অফার দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও একটি পণ্য কিনলে অতিরিক্ত পণ্য দেওয়ার ঘোষণাও রয়েছে।
তবে স্টল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দর্শনার্থীর সংখ্যা সন্তোষজনক হলেও প্রত্যাশিত বিক্রয় এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। তারা আশা করছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে।
মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ফরিদপুরের মানুষের বিনোদন ও কেনাকাটার সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ছাড় ও অফারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মেলা সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকায় আয়োজকদের মধ্যে কিছুটা আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। মেলার সময়সীমা বাড়িয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত করার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত মেলার সময় বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
সব মিলিয়ে, বিভিন্ন পণ্যসম্ভার, ছাড়ের সুযোগ এবং বিনোদনের আয়োজন নিয়ে ফরিদপুরের এ শিল্প ও বাণিজ্য মেলাটি স্থানীয় মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, মেলার বাকি সময়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর থেকেই মেলাটি শহরের বাসিন্দাদের জন্য বিনোদন ও কেনাকাটার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, স্থানীয় জনগণের বিনোদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশের মুখেই দর্শনার্থীদের নজরে আসে সুসজ্জিত মূল ফটক, বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং নান্দনিক সাজসজ্জা। দর্শনার্থীদের অনেকেই জানান, আগের বছরের তুলনায় এবারের আয়োজন আরও পরিকল্পিত ও আকর্ষণীয় হয়েছে। এতে করে মেলার পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
মেলায় প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। তবে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যার ফলে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।
মেলার বিভিন্ন স্টলে দেশীয় পণ্য, পোশাক, হস্তশিল্প এবং গৃহস্থালী সামগ্রীর সমাহার দেখা যায়। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন স্টলে মূল্যছাড় ও বিশেষ অফার দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও একটি পণ্য কিনলে অতিরিক্ত পণ্য দেওয়ার ঘোষণাও রয়েছে।
তবে স্টল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দর্শনার্থীর সংখ্যা সন্তোষজনক হলেও প্রত্যাশিত বিক্রয় এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। তারা আশা করছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে।
মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ফরিদপুরের মানুষের বিনোদন ও কেনাকাটার সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ছাড় ও অফারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মেলা সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকায় আয়োজকদের মধ্যে কিছুটা আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। মেলার সময়সীমা বাড়িয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত করার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত মেলার সময় বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।
সব মিলিয়ে, বিভিন্ন পণ্যসম্ভার, ছাড়ের সুযোগ এবং বিনোদনের আয়োজন নিয়ে ফরিদপুরের এ শিল্প ও বাণিজ্য মেলাটি স্থানীয় মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, মেলার বাকি সময়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন