দেশের চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তারা ট্যানারি খাতে ব্যবহৃত ৪৩ প্রকার কেমিক্যাল আমদানিতে আরোপিত কর ও ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, বর্তমান শুল্ক ও করের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি, যা উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন করছে।
শিল্প নেতারা জানিয়েছেন, কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কাঁচা চামড়া এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানেও করের বোঝা থাকায় উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে চামড়া শিল্পের রপ্তানি সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এবং খাতের টেকসই উন্নয়ন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
উদ্যোক্তারা দাবি করেছেন, সরকার ৪৩ কেমিক্যাল আমদানিতে কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার, কাঁচা চামড়া আমদানিকে করমুক্ত করা এবং বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি ব্যবহারে কোনো প্রকার ভ্যাট বা ডিউটি না রাখার ব্যবস্থা নিক। এছাড়া নতুন এসআরও জারি করে ভ্যাট হার ১৫% থেকে কমিয়ে ৭.৫% আনারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই দাবিগুলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)‑এর প্রাক‑বাজেট আলোচনা সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সভাপতিত্ব করেন। উদ্যোক্তারা চামড়া খাতের সংকট, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও উৎপাদন ব্যয়ের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সরকারী সহায়তার প্রয়োজনীয়তা জানান।
চামড়া খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে উচ্চ কর, শুল্ক, কাঁচামালের মূল্য ও প্রশাসনিক জটিলতা এই খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদ্যোক্তারা আশাবাদী, কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং চামড়া শিল্প পুনরায় স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে পারবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তারা ট্যানারি খাতে ব্যবহৃত ৪৩ প্রকার কেমিক্যাল আমদানিতে আরোপিত কর ও ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, বর্তমান শুল্ক ও করের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি, যা উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন করছে।
শিল্প নেতারা জানিয়েছেন, কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কাঁচা চামড়া এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানেও করের বোঝা থাকায় উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে চামড়া শিল্পের রপ্তানি সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এবং খাতের টেকসই উন্নয়ন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
উদ্যোক্তারা দাবি করেছেন, সরকার ৪৩ কেমিক্যাল আমদানিতে কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার, কাঁচা চামড়া আমদানিকে করমুক্ত করা এবং বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি ব্যবহারে কোনো প্রকার ভ্যাট বা ডিউটি না রাখার ব্যবস্থা নিক। এছাড়া নতুন এসআরও জারি করে ভ্যাট হার ১৫% থেকে কমিয়ে ৭.৫% আনারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই দাবিগুলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)‑এর প্রাক‑বাজেট আলোচনা সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সভাপতিত্ব করেন। উদ্যোক্তারা চামড়া খাতের সংকট, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও উৎপাদন ব্যয়ের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সরকারী সহায়তার প্রয়োজনীয়তা জানান।
চামড়া খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে উচ্চ কর, শুল্ক, কাঁচামালের মূল্য ও প্রশাসনিক জটিলতা এই খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদ্যোক্তারা আশাবাদী, কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং চামড়া শিল্প পুনরায় স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন