বগুড়ার উত্তর চেলোপাড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল রাতে ভিকটিম রবিন (২৭) তার প্রতিপক্ষদের দ্বারা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আক্রমণের শিকার হন। ঘটনার সময় তিনি বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া (বানিয়াপাড়া-নামাপাড়া) গ্রামের মিজানের বসতবাড়ীর সামনে মোস্তাফিজুর রহমানের পতিত জমিতে একা ছিলেন। হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক ও লাঠি ব্যবহার করে তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করেন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামীদের মধ্যে রয়েছে ১ নং আসামী মোঃ আরিফ (৩২), পিতা মোঃ বেলাল হোসেন; ২ নং আসামী মোঃ নিবির হোসেন (২৩), পিতা বেলাল হোসেন; ৩ নং আসামী মোঃ শামীম (২৫), পিতা আব্দুর রশিদ; ৪ নং আসামী মোঃ রবিন (২৭), পিতা মৃত শামসের আলী; এবং ৫ নং আসামী রুম আক্তার (২৮), পিতা আব্দুর রশিদ। এদের সকলের ঠিকানা ফুলবাড়ী দক্ষিণ বানিয়াপাড়া, ১৮ নং ওয়ার্ড, থানা-বগুড়া সদর। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ৩ থেকে ৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর থানায় ৩৬৪/৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া ক্যাম্প গোপন সূত্রে জানতে পারে যে পলাতক আসামীরা গ্রেফতার এড়াতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন সি বিচ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সদর কোম্পানী র্যাব-৭, চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় পতেঙ্গা থানাধীন সি বিচ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ অভিযানে ১ নং আসামী মোঃ আরিফ, ২ নং আসামী মোঃ নিবির হোসেন, ৩ নং আসামী মোঃ শামীম এবং ৪ নং আসামী মোঃ রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিনে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা দক্ষিণ হালিশহর ৩৯ নং ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে ৫ নং আসামী রুম আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার উত্তর চেলোপাড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল রাতে ভিকটিম রবিন (২৭) তার প্রতিপক্ষদের দ্বারা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আক্রমণের শিকার হন। ঘটনার সময় তিনি বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া (বানিয়াপাড়া-নামাপাড়া) গ্রামের মিজানের বসতবাড়ীর সামনে মোস্তাফিজুর রহমানের পতিত জমিতে একা ছিলেন। হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক ও লাঠি ব্যবহার করে তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করেন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামীদের মধ্যে রয়েছে ১ নং আসামী মোঃ আরিফ (৩২), পিতা মোঃ বেলাল হোসেন; ২ নং আসামী মোঃ নিবির হোসেন (২৩), পিতা বেলাল হোসেন; ৩ নং আসামী মোঃ শামীম (২৫), পিতা আব্দুর রশিদ; ৪ নং আসামী মোঃ রবিন (২৭), পিতা মৃত শামসের আলী; এবং ৫ নং আসামী রুম আক্তার (২৮), পিতা আব্দুর রশিদ। এদের সকলের ঠিকানা ফুলবাড়ী দক্ষিণ বানিয়াপাড়া, ১৮ নং ওয়ার্ড, থানা-বগুড়া সদর। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আরও ৩ থেকে ৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর থানায় ৩৬৪/৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া ক্যাম্প গোপন সূত্রে জানতে পারে যে পলাতক আসামীরা গ্রেফতার এড়াতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন সি বিচ এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সদর কোম্পানী র্যাব-৭, চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় পতেঙ্গা থানাধীন সি বিচ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ অভিযানে ১ নং আসামী মোঃ আরিফ, ২ নং আসামী মোঃ নিবির হোসেন, ৩ নং আসামী মোঃ শামীম এবং ৪ নং আসামী মোঃ রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিনে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন বন্দরটিলা দক্ষিণ হালিশহর ৩৯ নং ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে ৫ নং আসামী রুম আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন