ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ইউনিয়নে তামান্না (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তামান্না বড় মানিকদি গ্রামের বাসিন্দা জামাল মাতুব্বরের মেয়ে এবং একই এলাকার ইয়াসিন মাতুব্বরের স্ত্রী। প্রায় দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, তামান্না দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণে তিনি প্রায়ই একাকী থাকতেন এবং খুব কম মানুষের সঙ্গে মিশতেন। ঘটনার দিন বিকেলে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেলে তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
এ সময় তামান্নাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নামিয়ে আনলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
হঠাৎ এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিবেশীদের মধ্যেও এ ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ইউনিয়নে তামান্না (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তামান্না বড় মানিকদি গ্রামের বাসিন্দা জামাল মাতুব্বরের মেয়ে এবং একই এলাকার ইয়াসিন মাতুব্বরের স্ত্রী। প্রায় দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, তামান্না দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণে তিনি প্রায়ই একাকী থাকতেন এবং খুব কম মানুষের সঙ্গে মিশতেন। ঘটনার দিন বিকেলে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেলে তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
এ সময় তামান্নাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নামিয়ে আনলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
হঠাৎ এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। নিহতের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিবেশীদের মধ্যেও এ ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন