ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চৌকিঘাটা গ্রামে রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের তথ্যানুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে মোকসেদ মাতুব্বরের ছেলে বাকী মাতুব্বরের বাড়ির রান্নাঘরে রান্না করার সময়। রান্নাঘরের চুলার থেকে শুরু হওয়া আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়ির রান্নাঘরসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না, ফলে কোনো প্রাণহানি হয়নি। তবে আগুনে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয় ঘরের আসবাবপত্র, গবাদি পশুর থাকার স্থান এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র। স্থানীয়রা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা প্রথমে আতঙ্কিত হলেও, সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। একজন স্থানীয় বলেন, “আমরা সঙ্গে সঙ্গে পানি ছুঁড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। যদি তা না করতাম, ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।”
স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা ছায়া থেকে কিছুটা আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি আগুন নেভাতে কিছু সময় লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি বর্তমানে অস্থায়ীভাবে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। তারা দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা চাচ্ছেন।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, নিরাপদ রান্না ব্যবস্থা ও অগ্নি নির্বাপন সরঞ্জামের অভাবে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পুনর্বাসিত হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চৌকিঘাটা গ্রামে রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের তথ্যানুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে মোকসেদ মাতুব্বরের ছেলে বাকী মাতুব্বরের বাড়ির রান্নাঘরে রান্না করার সময়। রান্নাঘরের চুলার থেকে শুরু হওয়া আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়ির রান্নাঘরসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না, ফলে কোনো প্রাণহানি হয়নি। তবে আগুনে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয় ঘরের আসবাবপত্র, গবাদি পশুর থাকার স্থান এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র। স্থানীয়রা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা প্রথমে আতঙ্কিত হলেও, সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। একজন স্থানীয় বলেন, “আমরা সঙ্গে সঙ্গে পানি ছুঁড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। যদি তা না করতাম, ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।”
স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা ছায়া থেকে কিছুটা আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি আগুন নেভাতে কিছু সময় লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি বর্তমানে অস্থায়ীভাবে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। তারা দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা চাচ্ছেন।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন, নিরাপদ রান্না ব্যবস্থা ও অগ্নি নির্বাপন সরঞ্জামের অভাবে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পুনর্বাসিত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন