পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ট্রাক্টর ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আলামিন ইসলাম (৭) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দেবীগঞ্জ পৌরশহরের পায়রা চত্বর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলামিন দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের নূরুরবাজার শিকদারপাড়া গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে। সে স্থানীয় মল্লিকাদহ মনিরপাড়া দারুল উলুম সাত্তারিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের ছাত্র ছিল।
আহতরা হলেন- জুলেখা বেগম (৪০), সাজেদা বেগম (৩৫), শিশু সুজাব আলী (১০) ও আরাফাত (৫), ইজিবাইক চালক তারা মিয়া (৪৫) এবং নিহত আলামিনের মা আছমা বেগম (৪০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামিন তার মা ও আত্মীয়দের সঙ্গে পাশ্ববর্তী বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিল। পথে পায়রা চত্বর এলাকায় পৌঁছালে সোনাহার থেকে দেবীগঞ্জগামী একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইজিবাইক চালকসহ সাতজন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আলামিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. গোপাল চন্দ্র রায় জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় সাতজনকে আনা হয়। এর মধ্যে এক শিশু মারা গেছে এবং বাকিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মালিক জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক ট্রাক্টর ও ইজিবাইক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ট্রাক্টর ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আলামিন ইসলাম (৭) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দেবীগঞ্জ পৌরশহরের পায়রা চত্বর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলামিন দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের নূরুরবাজার শিকদারপাড়া গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে। সে স্থানীয় মল্লিকাদহ মনিরপাড়া দারুল উলুম সাত্তারিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের ছাত্র ছিল।
আহতরা হলেন- জুলেখা বেগম (৪০), সাজেদা বেগম (৩৫), শিশু সুজাব আলী (১০) ও আরাফাত (৫), ইজিবাইক চালক তারা মিয়া (৪৫) এবং নিহত আলামিনের মা আছমা বেগম (৪০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামিন তার মা ও আত্মীয়দের সঙ্গে পাশ্ববর্তী বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে করে বাড়ি ফিরছিল। পথে পায়রা চত্বর এলাকায় পৌঁছালে সোনাহার থেকে দেবীগঞ্জগামী একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইজিবাইক চালকসহ সাতজন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আলামিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. গোপাল চন্দ্র রায় জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় সাতজনকে আনা হয়। এর মধ্যে এক শিশু মারা গেছে এবং বাকিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মালিক জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক ট্রাক্টর ও ইজিবাইক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন