গৌরনদী উপজেলায় পরিবেশের ক্ষতি সাধনকারী ও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ পলিথিন মজুত ও বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বার্থ রক্ষার অংশ হিসেবে স্থানীয় প্রশাসন এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযানটি পরিচালনা করা হয় গত বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আলম মোটরসের সামনে মহাসড়কে উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে অভিযান শুরু করেন। এ সময় সন্দেহজনক ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নজরে আসে এবং অভিযানকালে পাঁচ বস্তা নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান। তিনি মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় ব্যবসায়ীকে দোষী সাব্যস্ত করে তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া জব্দকৃত পলিথিন জনসম্মুখে ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় এ ধরনের অবৈধ পণ্যের ব্যবহার বন্ধ করা যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারের কঠোর নীতি রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব হলো আইন অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং শহরকে পরিচ্ছন্ন ও দখলমুক্ত রাখা। এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় নাগরিকরা। তারা জানান, এমন অভিযান সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সাহায্য করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কার্যক্রম দৃঢ় করবে।
স্থানীয়রা অভিভাবক হিসেবে মনে করছেন, এই ধরনের অভিযান ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করছে। এক ব্যবসায়ী জানান, “এ ধরনের অভিযান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, যে সরকারি আইন ও নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক। পলিথিনের বিক্রির ক্ষেত্রে এখন আমরা আরও সতর্ক থাকব।”
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সরকারি অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম মিলিয়ে চালালে বরিশালের শহর পরিবেশবান্ধব ও দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
গৌরনদী উপজেলায় পরিবেশের ক্ষতি সাধনকারী ও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ পলিথিন মজুত ও বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বার্থ রক্ষার অংশ হিসেবে স্থানীয় প্রশাসন এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযানটি পরিচালনা করা হয় গত বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আলম মোটরসের সামনে মহাসড়কে উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে অভিযান শুরু করেন। এ সময় সন্দেহজনক ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নজরে আসে এবং অভিযানকালে পাঁচ বস্তা নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান। তিনি মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় ব্যবসায়ীকে দোষী সাব্যস্ত করে তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া জব্দকৃত পলিথিন জনসম্মুখে ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে পুনরায় এ ধরনের অবৈধ পণ্যের ব্যবহার বন্ধ করা যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারের কঠোর নীতি রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব হলো আইন অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং শহরকে পরিচ্ছন্ন ও দখলমুক্ত রাখা। এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ স্থানীয় নাগরিকরা। তারা জানান, এমন অভিযান সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সাহায্য করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কার্যক্রম দৃঢ় করবে।
স্থানীয়রা অভিভাবক হিসেবে মনে করছেন, এই ধরনের অভিযান ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করছে। এক ব্যবসায়ী জানান, “এ ধরনের অভিযান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, যে সরকারি আইন ও নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক। পলিথিনের বিক্রির ক্ষেত্রে এখন আমরা আরও সতর্ক থাকব।”
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সরকারি অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম মিলিয়ে চালালে বরিশালের শহর পরিবেশবান্ধব ও দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন