নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের গোয়ালি উত্তরপাড়া (কালুর মোড়) এলাকায় মিনতি (৩০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে নিজ বাড়ি থেকে দড়িবাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মিনতি ওই এলাকার বাসিন্দা জান্নাত (৩৫) এর স্ত্রী। ঘটনার পর থেকেই স্বামী জান্নাত পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিনতি ও তার স্বামীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, জান্নাত নিয়মিত নেশাগ্রস্ত থাকতেন এবং এ কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। ঘটনার আগের রাতেও তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।
বৃহস্পতিবার সকালে মিনতির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মরদেহের শরীরে দড়িবাঁধা থাকার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
নিহত মিনতি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম বিরাজ করছে।
এদিকে স্থানীয়দের অনেকে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই স্বামীর পলাতক হওয়া বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হবে বলেও জানা গেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের গোয়ালি উত্তরপাড়া (কালুর মোড়) এলাকায় মিনতি (৩০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে নিজ বাড়ি থেকে দড়িবাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মিনতি ওই এলাকার বাসিন্দা জান্নাত (৩৫) এর স্ত্রী। ঘটনার পর থেকেই স্বামী জান্নাত পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিনতি ও তার স্বামীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, জান্নাত নিয়মিত নেশাগ্রস্ত থাকতেন এবং এ কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। ঘটনার আগের রাতেও তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।
বৃহস্পতিবার সকালে মিনতির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মরদেহের শরীরে দড়িবাঁধা থাকার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।
নিহত মিনতি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম বিরাজ করছে।
এদিকে স্থানীয়দের অনেকে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই স্বামীর পলাতক হওয়া বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হবে বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন