নওগাঁর রজকপুর এলাকায় অবস্থিত ‘সাদ গুড়া চালনী মিল’-এ গরুর খাবারের সঙ্গে মাটি ও টাইলস তৈরির ক্ষতিকর কাঁচামাল মেশানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে গবাদি পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিলটিতে পশুখাদ্যের গুণগত মান নষ্ট করে ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে মাটি ও টাইলস তৈরির কাঁচামাল মেশানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের ভেজাল খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে গরুর জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং দুধ ও মাংসের গুণগত মানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকরা মিলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে মিল মালিক মোঃ ওমর ফারুক তপন এতে বাধা দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি সাংবাদিকদের প্রতি উত্তেজিত আচরণ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন—কোন অনুমতিতে তারা সেখানে গেছেন। একপর্যায়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে সাংবাদিকদের সেখান থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইবনুল আবেদীন জানান, অভিযোগটি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না।”
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের ভেজাল প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর রজকপুর এলাকায় অবস্থিত ‘সাদ গুড়া চালনী মিল’-এ গরুর খাবারের সঙ্গে মাটি ও টাইলস তৈরির ক্ষতিকর কাঁচামাল মেশানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে গবাদি পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিলটিতে পশুখাদ্যের গুণগত মান নষ্ট করে ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে মাটি ও টাইলস তৈরির কাঁচামাল মেশানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের ভেজাল খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে গরুর জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং দুধ ও মাংসের গুণগত মানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকরা মিলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে মিল মালিক মোঃ ওমর ফারুক তপন এতে বাধা দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি সাংবাদিকদের প্রতি উত্তেজিত আচরণ করেন এবং প্রশ্ন তোলেন—কোন অনুমতিতে তারা সেখানে গেছেন। একপর্যায়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে সাংবাদিকদের সেখান থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইবনুল আবেদীন জানান, অভিযোগটি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো কার্যক্রম সহ্য করা হবে না।”
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের ভেজাল প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন