সারাদেশে জ্বালানি সংকট ও মূল্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই বগুড়া শহর-এ এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দামে গ্যাস বিক্রি করায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মার্চ ২০২৬ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩৪১ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সেই দামে কোথাও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ১,৯০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শহরের বৌবাজার এলাকায় গ্যাস কিনতে আসা এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব নেই। কয়েকটি দোকান ঘুরেও নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যায়নি। দোকানিরা বেশি দামে কেনার অজুহাত দেখিয়ে কম দামে বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে এমন প্রকাশ্য অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই। ফলে সিন্ডিকেটভিত্তিক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খুচরা বিক্রেতা জানান, ডিলার পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানো হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বাজারের এই অস্থিরতা আরও বেড়ে যেতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দাবি, অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হোক।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে জ্বালানি সংকট ও মূল্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই বগুড়া শহর-এ এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দামে গ্যাস বিক্রি করায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মার্চ ২০২৬ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩৪১ টাকা নির্ধারণ করলেও বাস্তবে সেই দামে কোথাও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ১,৯০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শহরের বৌবাজার এলাকায় গ্যাস কিনতে আসা এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব নেই। কয়েকটি দোকান ঘুরেও নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যায়নি। দোকানিরা বেশি দামে কেনার অজুহাত দেখিয়ে কম দামে বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।
ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে এমন প্রকাশ্য অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই। ফলে সিন্ডিকেটভিত্তিক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খুচরা বিক্রেতা জানান, ডিলার পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানো হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বাজারের এই অস্থিরতা আরও বেড়ে যেতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দাবি, অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন