দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নৌবাহিনী জানিয়েছে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রসীমায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং জ্বালানি বহনকারী জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
নৌবাহিনী কোস্ট গার্ড, বন্দরের কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমদানি‑রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি, সমুদ্রপথে যে কোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীসহ সমুদ্রপথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানি জাহাজগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় ইরান বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দরে আগত জাহাজগুলোকে প্রাধান্য ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ডিজেল, এলপিজি (LPG) এবং এলএনজি (LNG) দ্রুত ও নিরাপদে আনলোড হচ্ছে।
নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সতর্ক অবস্থান এবং অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। এ পদক্ষেপ সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিরাপদ রাখার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নৌবাহিনী জানিয়েছে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রসীমায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং জ্বালানি বহনকারী জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
নৌবাহিনী কোস্ট গার্ড, বন্দরের কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমদানি‑রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি, সমুদ্রপথে যে কোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীসহ সমুদ্রপথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানি জাহাজগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় ইরান বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দরে আগত জাহাজগুলোকে প্রাধান্য ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ডিজেল, এলপিজি (LPG) এবং এলএনজি (LNG) দ্রুত ও নিরাপদে আনলোড হচ্ছে।
নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সতর্ক অবস্থান এবং অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। এ পদক্ষেপ সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিরাপদ রাখার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন