বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের নারিচবুনিয়া এলাকায় চুরি হওয়া মালামাল ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের ধারালো অস্ত্র ও লোহার রডের আঘাতে অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগী মো. জামাল উদ্দিন (৪২) অভিযোগ করে জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তার বসতঘরের পাশের গুদাম থেকে আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ৫৫০ পিস রাবার চুরি হয়। এর কয়েকদিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে স্থানীয় শামছুল আলমের ধানক্ষেত থেকে একটি পানির মোটরও চুরি হয়ে যায়।
পরে স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, চুরি হওয়া মালামালগুলো আব্দুল আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তির কাছে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি মালামাল চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগে বলা হয়, মালামাল ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে অভিযুক্তরা জামাল উদ্দিনকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামাল উদ্দিন স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুল আলীর বাড়িতে মালামাল ফেরত চাইতে যান।
এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, রোজিনা আক্তার নামের এক নারী ঘর থেকে ধারালো দা এনে মনির উদ্দিনের মাথায় কোপ দিতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তার মুখের বাম পাশে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এদিকে সাদিয়া আক্তার লোহার রড দিয়ে বেলাল উদ্দিনের মাথায় আঘাত করলে তার কপাল ফেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মামলা না করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের নারিচবুনিয়া এলাকায় চুরি হওয়া মালামাল ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের ধারালো অস্ত্র ও লোহার রডের আঘাতে অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ভুক্তভোগী মো. জামাল উদ্দিন (৪২) অভিযোগ করে জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তার বসতঘরের পাশের গুদাম থেকে আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ৫৫০ পিস রাবার চুরি হয়। এর কয়েকদিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে স্থানীয় শামছুল আলমের ধানক্ষেত থেকে একটি পানির মোটরও চুরি হয়ে যায়।
পরে স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, চুরি হওয়া মালামালগুলো আব্দুল আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তির কাছে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি মালামাল চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগে বলা হয়, মালামাল ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে অভিযুক্তরা জামাল উদ্দিনকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামাল উদ্দিন স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুল আলীর বাড়িতে মালামাল ফেরত চাইতে যান।
এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, রোজিনা আক্তার নামের এক নারী ঘর থেকে ধারালো দা এনে মনির উদ্দিনের মাথায় কোপ দিতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তার মুখের বাম পাশে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এদিকে সাদিয়া আক্তার লোহার রড দিয়ে বেলাল উদ্দিনের মাথায় আঘাত করলে তার কপাল ফেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা মামলা না করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন