অখাদ্য চালের প্রতিবাদ করায় জনরোষের মুখে প্রতিবাদী! গোমতী গুচ্ছগ্রামের রেশন চাল নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৪ নং গোমতী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে রেশনের চাল নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য আসা চালের মান এতটাই নিম্নমানের যে তা খাওয়ার অনুপযুক্ত। আর এই জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে এখন উল্টো অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন এক প্রতিবাদী ব্যক্তি।
দীর্ঘদিন ধরেই গোমতী ইউনিয়ন সহ একাধিক ইউনিয়ন ও উপজেলায় গুচ্ছগ্রামের রেশন নিয়ে নানা অনিয়মের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সম্প্রতি বিতরণের জন্য আসা চালের বেহাল দশা দেখে স্থানীয় এক সচেতন ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের (ট্যাগ অফিসার) সাথে কথা বলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল নিম্নমানের চাল পরিবর্তন করে ভালো মানের চাল নিশ্চিত করা।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, দুর্নীতির সহযোগী একদল অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে শুরু করেছে। তারা প্রচার করছে যে, অভিযোগকারী ব্যক্তিই নাকি রেশন বন্ধ করে দিয়েছেন। অথচ বাস্তব চিত্র হলো, তিনি রেশন বন্ধ নয়, বরং ‘মানুষের খাবার উপযোগী চাল’ নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন উঠছে, যারা এই পচা বা নিম্নমানের চাল সরবরাহকে সমর্থন দিচ্ছে, তারা কার স্বার্থে কাজ করছে! সরকারি বরাদ্দের সুফল কেন সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবে না! আর সত্য কথা বললে কেন তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে
গোমতী ইউনিয়নের সচেতন মহল মনে করেন, এই অপপ্রচারে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত চালের মান তদন্ত করা এবং যারা এই অনিয়মের সাথে জড়িত তাদের মুখোশ উন্মোচন করা। মানুষ চায় চাল, কিন্তু তা হতে হবে ভক্ষণযোগ্য।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
অখাদ্য চালের প্রতিবাদ করায় জনরোষের মুখে প্রতিবাদী! গোমতী গুচ্ছগ্রামের রেশন চাল নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৪ নং গোমতী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে রেশনের চাল নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য আসা চালের মান এতটাই নিম্নমানের যে তা খাওয়ার অনুপযুক্ত। আর এই জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে এখন উল্টো অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন এক প্রতিবাদী ব্যক্তি।
দীর্ঘদিন ধরেই গোমতী ইউনিয়ন সহ একাধিক ইউনিয়ন ও উপজেলায় গুচ্ছগ্রামের রেশন নিয়ে নানা অনিয়মের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সম্প্রতি বিতরণের জন্য আসা চালের বেহাল দশা দেখে স্থানীয় এক সচেতন ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের (ট্যাগ অফিসার) সাথে কথা বলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল নিম্নমানের চাল পরিবর্তন করে ভালো মানের চাল নিশ্চিত করা।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, দুর্নীতির সহযোগী একদল অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে শুরু করেছে। তারা প্রচার করছে যে, অভিযোগকারী ব্যক্তিই নাকি রেশন বন্ধ করে দিয়েছেন। অথচ বাস্তব চিত্র হলো, তিনি রেশন বন্ধ নয়, বরং ‘মানুষের খাবার উপযোগী চাল’ নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন।
প্রশ্ন উঠছে, যারা এই পচা বা নিম্নমানের চাল সরবরাহকে সমর্থন দিচ্ছে, তারা কার স্বার্থে কাজ করছে! সরকারি বরাদ্দের সুফল কেন সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবে না! আর সত্য কথা বললে কেন তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে
গোমতী ইউনিয়নের সচেতন মহল মনে করেন, এই অপপ্রচারে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত চালের মান তদন্ত করা এবং যারা এই অনিয়মের সাথে জড়িত তাদের মুখোশ উন্মোচন করা। মানুষ চায় চাল, কিন্তু তা হতে হবে ভক্ষণযোগ্য।

আপনার মতামত লিখুন