ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ঘোষিত ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হক। নির্বাচনে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি আদালতের কাছে ফলাফল পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছেন। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ মোট ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ২ হাজার ৩২০, যা এই আসনের মোট ভোটের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য।
মামুনুল হকের অভিযোগ, নির্বাচনে প্রায় ২ হাজার ৩০০টি ভোট অবৈধভাবে বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে তার পক্ষে পড়েছিল। এই বাতিল ভোটের সংখ্যা এবং বিজয়ীর সঙ্গে তার ব্যবধান প্রায় সমান হওয়াটাই তার দাবিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। গভীর রাতে তিনি নিজে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন এবং পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শের পরিবর্তে মামুনুল হক সরাসরি হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৩ আসনটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনি এলাকা। এই আসনে মামুনুল হকের প্রার্থিতা এবং ববি হাজ্জাজের সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। এখন এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। আদালতের শুনানিতে কী রায় আসে, তার দিকে নজর রাখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ঘোষিত ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হক। নির্বাচনে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি আদালতের কাছে ফলাফল পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছেন। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ মোট ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ২ হাজার ৩২০, যা এই আসনের মোট ভোটের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য।
মামুনুল হকের অভিযোগ, নির্বাচনে প্রায় ২ হাজার ৩০০টি ভোট অবৈধভাবে বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে তার পক্ষে পড়েছিল। এই বাতিল ভোটের সংখ্যা এবং বিজয়ীর সঙ্গে তার ব্যবধান প্রায় সমান হওয়াটাই তার দাবিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। গভীর রাতে তিনি নিজে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি তুলে ধরেন এবং পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শের পরিবর্তে মামুনুল হক সরাসরি হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৩ আসনটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনি এলাকা। এই আসনে মামুনুল হকের প্রার্থিতা এবং ববি হাজ্জাজের সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। এখন এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। আদালতের শুনানিতে কী রায় আসে, তার দিকে নজর রাখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন