সদ্য সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জামিন পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সংবাদমাধ্যমে এই দুর্নীতির খবর প্রকাশের পর দিনভর দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।
তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে চিফ প্রসিকিউটর নিজেই এই কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কমিটিতে অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র প্রসিকিউটর মো. আব্দুস সোবহান তরফদার এবং সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত দুই প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান (মদিনা) ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের ল’ রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহকেও এই তদন্ত দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।
দুপুরে ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান যে অভিযুক্ত প্রসিকিউটর সাইমুমের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়লে তার আইনি ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসিকিউশন বিভাগ এই অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাবে।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া প্রসিকিউশন বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে এই অভিযোগের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় যে ট্রাইব্যুনালের মর্যাদা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ণ রাখতেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
সদ্য সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জামিন পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সংবাদমাধ্যমে এই দুর্নীতির খবর প্রকাশের পর দিনভর দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।
তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে চিফ প্রসিকিউটর নিজেই এই কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কমিটিতে অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র প্রসিকিউটর মো. আব্দুস সোবহান তরফদার এবং সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত দুই প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান (মদিনা) ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের ল’ রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহকেও এই তদন্ত দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।
দুপুরে ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান যে অভিযুক্ত প্রসিকিউটর সাইমুমের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়লে তার আইনি ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসিকিউশন বিভাগ এই অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাবে।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া প্রসিকিউশন বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে এই অভিযোগের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় যে ট্রাইব্যুনালের মর্যাদা ও নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ণ রাখতেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন।

আপনার মতামত লিখুন