ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আহত বা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করছে ইরানের একাধিক গণমাধ্যম। গত কয়েক দিন ধরে তাকে প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়া এবং কোনো ভিডিও বার্তা না আসায় এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে ইসরাইল সরকার এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সংস্থাটি মূলত এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার বলে দাবি করা একটি অ্যাকাউন্টের পোস্টের উদ্ধৃতি দেয়, যেখানে বলা হয় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন এবং সেই সময় বাড়িতে থাকা জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হন। তবে পোস্টটি সত্যিই স্কট রিটারের কি না, তা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তাসনিম নিউজ প্রতিবেদনে সরাসরি কোনো প্রমাণ না দিয়ে বেশ কিছু পরিস্থিতিগত তথ্য তুলে ধরেছে। নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশের প্রায় তিন দিন এবং ছবি প্রকাশের চার দিন পেরিয়ে গেছে। অথচ এর আগে প্রতিদিন অন্তত একটি, কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও আসত তার চ্যানেলে। এরপর থেকে তার নামে যা প্রকাশিত হচ্ছে তা কেবল লিখিত বিবৃতি।
এ ছাড়া আরও কয়েকটি বিষয় জল্পনাকে উসকে দিচ্ছে। ৮ মার্চ হিব্রু গণমাধ্যমে প্রতিবেদন আসে যে নেতানিয়াহুর বাসভবনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষত আত্মঘাতী ড্রোন মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের মঙ্গলবার ইসরাইলে নির্ধারিত সফর হঠাৎ বাতিল হয়ে যায়। ফ্রান্সের এলিসি প্যালেস থেকে ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর ফোনালাপের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেখানেও কথোপকথনের তারিখ উল্লেখ নেই।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নথি অনুযায়ী নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল ৭ মার্চ, যেদিন তিনি বিরশেবায় ইরানি হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ ছিল।
এ ধরনের দাবি অবশ্য নতুন নয়। গত ২ মার্চও একাধিক ইরানি সংবাদমাধ্যম একই রকম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, দাবি করেছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হওয়ার পর নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মাধ্যম সেই খবরকে ভিত্তিহীন গুজব বলে নাকচ করে দেয়। বর্তমান দাবিগুলোর বিষয়েও ইসরাইল সরকার এখন পর্যন্ত নীরব থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আহত বা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করছে ইরানের একাধিক গণমাধ্যম। গত কয়েক দিন ধরে তাকে প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়া এবং কোনো ভিডিও বার্তা না আসায় এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। তবে ইসরাইল সরকার এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সংস্থাটি মূলত এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার বলে দাবি করা একটি অ্যাকাউন্টের পোস্টের উদ্ধৃতি দেয়, যেখানে বলা হয় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন এবং সেই সময় বাড়িতে থাকা জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হন। তবে পোস্টটি সত্যিই স্কট রিটারের কি না, তা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তাসনিম নিউজ প্রতিবেদনে সরাসরি কোনো প্রমাণ না দিয়ে বেশ কিছু পরিস্থিতিগত তথ্য তুলে ধরেছে। নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশের প্রায় তিন দিন এবং ছবি প্রকাশের চার দিন পেরিয়ে গেছে। অথচ এর আগে প্রতিদিন অন্তত একটি, কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও আসত তার চ্যানেলে। এরপর থেকে তার নামে যা প্রকাশিত হচ্ছে তা কেবল লিখিত বিবৃতি।
এ ছাড়া আরও কয়েকটি বিষয় জল্পনাকে উসকে দিচ্ছে। ৮ মার্চ হিব্রু গণমাধ্যমে প্রতিবেদন আসে যে নেতানিয়াহুর বাসভবনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষত আত্মঘাতী ড্রোন মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের মঙ্গলবার ইসরাইলে নির্ধারিত সফর হঠাৎ বাতিল হয়ে যায়। ফ্রান্সের এলিসি প্যালেস থেকে ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর ফোনালাপের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেখানেও কথোপকথনের তারিখ উল্লেখ নেই।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নথি অনুযায়ী নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল ৭ মার্চ, যেদিন তিনি বিরশেবায় ইরানি হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ ছিল।
এ ধরনের দাবি অবশ্য নতুন নয়। গত ২ মার্চও একাধিক ইরানি সংবাদমাধ্যম একই রকম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, দাবি করেছিল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হওয়ার পর নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মাধ্যম সেই খবরকে ভিত্তিহীন গুজব বলে নাকচ করে দেয়। বর্তমান দাবিগুলোর বিষয়েও ইসরাইল সরকার এখন পর্যন্ত নীরব থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আপনার মতামত লিখুন