চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মাধবখালী গ্রামে কবরস্থানের গেট ও রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পর এই সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে খানপাড়ার লিখন (২২), তার বাবা আশরাফুল ইসলাম এবং খান জাহান খান (৪৫) রয়েছেন। মণ্ডলপাড়া থেকে আহত হয়েছেন রোজিনা (৩৮), নাজমা (৫২), তৃষ্ণা (৩৩) এবং দুর্জয় (২৪)। আহতদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে খান জাহান খানের অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবখালী গ্রামের কবরস্থানটি দীর্ঘদিন ধরে মণ্ডলপাড়া ও খানপাড়া উভয় পাড়ার মানুষ ব্যবহার করে আসছিল। কবরস্থানের গেট ও রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এছাড়া কয়েক বছর আগে পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের জেরে খানপাড়ার মসজিদ ছেড়ে পশ্চিমপাড়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু উভয় পক্ষের কবরস্থান একই থাকায় সেখানে যাওয়ার পথ ও গেট নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।
মাধবখালী মণ্ডলপাড়ার বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মাধবখালী জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি পদ ছাড়লে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতাতেই এই সংঘর্ষ ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।
খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ওসি সোলায়মান শেখ জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মাধবখালী গ্রামে কবরস্থানের গেট ও রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পর এই সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে খানপাড়ার লিখন (২২), তার বাবা আশরাফুল ইসলাম এবং খান জাহান খান (৪৫) রয়েছেন। মণ্ডলপাড়া থেকে আহত হয়েছেন রোজিনা (৩৮), নাজমা (৫২), তৃষ্ণা (৩৩) এবং দুর্জয় (২৪)। আহতদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে খান জাহান খানের অবস্থার অবনতি হলে তাকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবখালী গ্রামের কবরস্থানটি দীর্ঘদিন ধরে মণ্ডলপাড়া ও খানপাড়া উভয় পাড়ার মানুষ ব্যবহার করে আসছিল। কবরস্থানের গেট ও রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এছাড়া কয়েক বছর আগে পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের জেরে খানপাড়ার মসজিদ ছেড়ে পশ্চিমপাড়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু উভয় পক্ষের কবরস্থান একই থাকায় সেখানে যাওয়ার পথ ও গেট নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।
মাধবখালী মণ্ডলপাড়ার বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম মাধবখালী জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি পদ ছাড়লে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতাতেই এই সংঘর্ষ ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।
খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ওসি সোলায়মান শেখ জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন