নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মো. আমছের আলীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগে শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ওয়াসিম আলী মাস্টারের ছেলে মো. আল মাহামুদ মন্ডল উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার খামার গ্রামের ইসমাইল প্রামানিকের ছেলে মো. আমছের আলী (৬৫), শ্রীরামপুর গ্রামের মো. আব্দুল মান্নান (৩৮) ও মো. জাহিদুল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের মো. সুইট হোসেন (৩০), গনেশপুর গ্রামের মো. নাইম (২৮), রায়পুর গ্রামের মো. সাজ্জাদুল ইসলাম (৪৫), শ্রীরামপুর গ্রামের মো. ফারুক হোসেন (২৮), মো. কালাম (৪৫), মো. আনিছার রহমান (৫০), গনেশপুর গ্রামের শ্রী শান্ত (২৭), সতীহাট বাজার এলাকার প্রার্থ (৩০), বাঙ্গালপাড়া গ্রামের মো. আসাদুল (৪৫) ও মো. বুলেট (৩২) সহ আরও ৩০-৪০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে তার বসতবাড়িতে হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে। এ সময় তার স্ত্রীর গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের সোনার চেইন এবং তার মা মোছা. আলেয়ার কানে থাকা প্রায় ৪ আনা ওজনের সোনার দুল খুলে নেয়।
এছাড়া ঘরের আলমারির ড্রয়ারের তালা ভেঙে বাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা প্রায় ১০ লাখ টাকা এবং জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলাকারীরা ঘরের জানালা, আসবাবপত্র ও পানির সরবরাহ লাইনের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে প্রধান আসামি মো. আমছের আলীকে আটক করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেয়। পরে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আল মাহামুদ মন্ডল বাদী হয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নামসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) কেএম মাসুদ রানা বলেন, প্রধান আসামিকে আটক নয় উদ্ধার করা হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ফোন কেটে দেন।#

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মো. আমছের আলীকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগে শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ওয়াসিম আলী মাস্টারের ছেলে মো. আল মাহামুদ মন্ডল উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার খামার গ্রামের ইসমাইল প্রামানিকের ছেলে মো. আমছের আলী (৬৫), শ্রীরামপুর গ্রামের মো. আব্দুল মান্নান (৩৮) ও মো. জাহিদুল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের মো. সুইট হোসেন (৩০), গনেশপুর গ্রামের মো. নাইম (২৮), রায়পুর গ্রামের মো. সাজ্জাদুল ইসলাম (৪৫), শ্রীরামপুর গ্রামের মো. ফারুক হোসেন (২৮), মো. কালাম (৪৫), মো. আনিছার রহমান (৫০), গনেশপুর গ্রামের শ্রী শান্ত (২৭), সতীহাট বাজার এলাকার প্রার্থ (৩০), বাঙ্গালপাড়া গ্রামের মো. আসাদুল (৪৫) ও মো. বুলেট (৩২) সহ আরও ৩০-৪০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে তার বসতবাড়িতে হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে। এ সময় তার স্ত্রীর গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের সোনার চেইন এবং তার মা মোছা. আলেয়ার কানে থাকা প্রায় ৪ আনা ওজনের সোনার দুল খুলে নেয়।
এছাড়া ঘরের আলমারির ড্রয়ারের তালা ভেঙে বাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা প্রায় ১০ লাখ টাকা এবং জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলাকারীরা ঘরের জানালা, আসবাবপত্র ও পানির সরবরাহ লাইনের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে প্রধান আসামি মো. আমছের আলীকে আটক করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেয়। পরে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আল মাহামুদ মন্ডল বাদী হয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নামসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) কেএম মাসুদ রানা বলেন, প্রধান আসামিকে আটক নয় উদ্ধার করা হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ফোন কেটে দেন।#

আপনার মতামত লিখুন