লক্ষ্মীপুরর রায়পুর উপজেলাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এক যুবক ও এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) উপজেলার দুটি পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। একই দিনে এমন দুটি ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কুচিয়ামারা এলাকার নতুন ব্রিজ বেড়ীর পাশের সরদারবাড়ি থেকে শুক্কুর সর্দার (২২) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার আবুল সর্দারের ছেলে এবং পেশায় সিএনজি চালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে বাড়ির পাশে একটি স্থানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
এলাকাবাসী আল আমিন বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় শুক্কুর সর্দারের পা মাটি থেকে প্রায় এক হাত উপরে ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মরদেহটি নিচে নামায়। স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক সর্দার জানান, শুক্কুর সর্দার ও তার ভাই একসঙ্গে রায়পুর-চরবংশী খাসেরহাট সড়কে সিএনজি চালাতেন। তাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ বা ঝামেলার কথা জানা যায়নি।
এ বিষয়ে চরবংশী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শুক্কুর সর্দারের পরিবার এলাকায় পরিচিত। তার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ বা জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়টি জানা যায়নি।
এদিকে একই দিন দুপুর প্রায় ১টার দিকে রায়পুর উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় গোলাম হায়দার বাড়ির সামনে একটি ভাড়া বাসা থেকে এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ দেখে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ওই যুবতীকে ঝুলতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাতেই মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
একই দিনে পরপর দুটি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনাগুলোর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হোক।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
লক্ষ্মীপুরর রায়পুর উপজেলাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এক যুবক ও এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) উপজেলার দুটি পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। একই দিনে এমন দুটি ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কুচিয়ামারা এলাকার নতুন ব্রিজ বেড়ীর পাশের সরদারবাড়ি থেকে শুক্কুর সর্দার (২২) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার আবুল সর্দারের ছেলে এবং পেশায় সিএনজি চালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে বাড়ির পাশে একটি স্থানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।
এলাকাবাসী আল আমিন বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় শুক্কুর সর্দারের পা মাটি থেকে প্রায় এক হাত উপরে ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মরদেহটি নিচে নামায়। স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক সর্দার জানান, শুক্কুর সর্দার ও তার ভাই একসঙ্গে রায়পুর-চরবংশী খাসেরহাট সড়কে সিএনজি চালাতেন। তাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ বা ঝামেলার কথা জানা যায়নি।
এ বিষয়ে চরবংশী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শুক্কুর সর্দারের পরিবার এলাকায় পরিচিত। তার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ বা জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়টি জানা যায়নি।
এদিকে একই দিন দুপুর প্রায় ১টার দিকে রায়পুর উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় গোলাম হায়দার বাড়ির সামনে একটি ভাড়া বাসা থেকে এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ দেখে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ওই যুবতীকে ঝুলতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাতেই মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
একই দিনে পরপর দুটি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনাগুলোর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন