দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে লেবু মিয়া নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ওসমানপুর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত লেবু মিয়া উপজেলার নুরজাহানপুর রাজবাড়ি এলাকার খাদেম আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ওসমানপুর বাজারে মাংস ব্যবসায়ী লেবু মিয়া একটি মৃতপ্রায় গরু জবাই করে মাংস বিক্রি শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে। মাংসের মান ও রঙ দেখে ক্রেতাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বাজারে ক্রেতা ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই সেখানে ভিড় জমান। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, গরুটি জবাইয়ের আগেই মৃতপ্রায় অবস্থায় ছিল এবং এমন মাংস বিক্রি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জব্দ করা মাংসের নমুনা পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তিনি জানান, গরুটি অনেক বয়স্ক ছিল এবং জব্দ করা মাংসগুলো একেবারে টাটকা নয়। বরং কয়েকদিন আগে জবাই করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে ধারণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সনদ না থাকা এবং বাসি ও নিম্নমানের মাংস বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনে লেবু মিয়াকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. রবিউল ইসলাম বলেন, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে মাংসগুলো ফ্রিজে সংরক্ষিত ছিল এবং তা বিক্রির উপযোগী ছিল না। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারের অন্যান্য মাংস ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং সরকারি নিয়ম মেনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ নিয়ে পশু জবাই ও মাংস বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে লেবু মিয়া নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ওসমানপুর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত লেবু মিয়া উপজেলার নুরজাহানপুর রাজবাড়ি এলাকার খাদেম আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ওসমানপুর বাজারে মাংস ব্যবসায়ী লেবু মিয়া একটি মৃতপ্রায় গরু জবাই করে মাংস বিক্রি শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে। মাংসের মান ও রঙ দেখে ক্রেতাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বাজারে ক্রেতা ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই সেখানে ভিড় জমান। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, গরুটি জবাইয়ের আগেই মৃতপ্রায় অবস্থায় ছিল এবং এমন মাংস বিক্রি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জব্দ করা মাংসের নমুনা পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তিনি জানান, গরুটি অনেক বয়স্ক ছিল এবং জব্দ করা মাংসগুলো একেবারে টাটকা নয়। বরং কয়েকদিন আগে জবাই করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে ধারণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে বাজারে বিক্রির জন্য আনা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সনদ না থাকা এবং বাসি ও নিম্নমানের মাংস বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনে লেবু মিয়াকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. রবিউল ইসলাম বলেন, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে মাংসগুলো ফ্রিজে সংরক্ষিত ছিল এবং তা বিক্রির উপযোগী ছিল না। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারের অন্যান্য মাংস ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং সরকারি নিয়ম মেনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ নিয়ে পশু জবাই ও মাংস বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন