লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার লেংরা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ঘটনাটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় গোলাম হায়দার বাড়ির সামনে একটি ভাড়া বাসায় ওই যুবতী বসবাস করতেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত তার ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তারা দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকালে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ওই যুবতীকে ঘরের ভেতরে ঝুলতে দেখতে পান। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে রায়পুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। তবে কী কারণে ওই যুবতী এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
রায়পুর থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা এমন মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত কারণ দ্রুত উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার লেংরা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ঘটনাটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লেংরা বাজার এলাকায় গোলাম হায়দার বাড়ির সামনে একটি ভাড়া বাসায় ওই যুবতী বসবাস করতেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত তার ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তারা দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে ভেতরে তাকালে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ওই যুবতীকে ঘরের ভেতরে ঝুলতে দেখতে পান। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে রায়পুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। তবে কী কারণে ওই যুবতী এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
রায়পুর থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা এমন মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত কারণ দ্রুত উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন