কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑২‑এ ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
আদালত পরবর্তী সাক্ষীগ্রহণ ও শুনানির দিন হিসেবে ১০ মার্চ ২০২৬ ধার্য করেছেন। এই মামলায় আসামি হিসেবে নাম রয়েছে মাহবুব‑উল আলম হানিফসহ আরও তিনজনের। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছে শহীদ পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, আহত ব্যক্তি, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী, পুলিশ, সাংবাদিক, বিশেষজ্ঞ এবং তদন্ত কর্মকর্তা। মোট ৩৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।
আজকের ১৬‑তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিয়ান এসআই আনিসুর রহমান। তিনি মামলার আলামত সংগ্রহ ও জব্দ‑সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন ফারুক আহাম্মদ। এছাড়া সহ প্রসিকিউটররা ছিলেন আব্দুস সোবহান তরফদার ও সহিদুল ইসলাম সরদার।
মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে আছেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, জেলা সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মামলার বিচার কার্যক্রম গত বছরের ২ নভেম্বর শুরু হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৬ অক্টোবর এবং প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ৫ অক্টোবর। মামলায় প্রধান অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র ও ছয়জনকে হত্যার ঘটনা।
পরবর্তী সাক্ষীগ্রহণ ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ১০ মার্চ ২০২৬। আদালত মামলা শেষ হওয়ার পর রায় বা যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑২‑এ ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
আদালত পরবর্তী সাক্ষীগ্রহণ ও শুনানির দিন হিসেবে ১০ মার্চ ২০২৬ ধার্য করেছেন। এই মামলায় আসামি হিসেবে নাম রয়েছে মাহবুব‑উল আলম হানিফসহ আরও তিনজনের। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছে শহীদ পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, আহত ব্যক্তি, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী, পুলিশ, সাংবাদিক, বিশেষজ্ঞ এবং তদন্ত কর্মকর্তা। মোট ৩৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।
আজকের ১৬‑তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিয়ান এসআই আনিসুর রহমান। তিনি মামলার আলামত সংগ্রহ ও জব্দ‑সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন ফারুক আহাম্মদ। এছাড়া সহ প্রসিকিউটররা ছিলেন আব্দুস সোবহান তরফদার ও সহিদুল ইসলাম সরদার।
মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে আছেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, জেলা সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মামলার বিচার কার্যক্রম গত বছরের ২ নভেম্বর শুরু হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৬ অক্টোবর এবং প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ৫ অক্টোবর। মামলায় প্রধান অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র ও ছয়জনকে হত্যার ঘটনা।
পরবর্তী সাক্ষীগ্রহণ ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ১০ মার্চ ২০২৬। আদালত মামলা শেষ হওয়ার পর রায় বা যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন