সারাদেশের মসজিদগুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য মাসিক ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করেছে সরকার, যেখানে প্রতিটি মসজিদের অনুকূলে মোট ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভাতা বণ্টনের সুনির্দিষ্ট কাঠামো
রবিবার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেন। সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ হাজার টাকার মধ্যে প্রধান ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা। অবশিষ্ট টাকা মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মধ্যে নির্দিষ্ট হারে বণ্টন করা হবে।
সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষা
ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার এই সম্মানী নির্ধারণের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে, যা তৃণমূল পর্যায়ের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের আর্থিক স্থিতিশীলতা আনবে।
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ভাতা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি স্বচ্ছ ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের হাজার হাজার মসজিদের ধর্মীয় সেবকরা রাষ্ট্রীয় এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
সারাদেশের মসজিদগুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য মাসিক ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করেছে সরকার, যেখানে প্রতিটি মসজিদের অনুকূলে মোট ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভাতা বণ্টনের সুনির্দিষ্ট কাঠামো
রবিবার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেন। সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ হাজার টাকার মধ্যে প্রধান ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা। অবশিষ্ট টাকা মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মধ্যে নির্দিষ্ট হারে বণ্টন করা হবে।
সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষা
ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার এই সম্মানী নির্ধারণের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে, যা তৃণমূল পর্যায়ের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের আর্থিক স্থিতিশীলতা আনবে।
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ভাতা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি স্বচ্ছ ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের হাজার হাজার মসজিদের ধর্মীয় সেবকরা রাষ্ট্রীয় এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

আপনার মতামত লিখুন