বগুড়ার নন্দীগ্রামে হত্যা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতাকর্মীকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার ৬ মার্চ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখ, পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুজন মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল শাকিল, মো. আসিফ এবং নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা যুবদল জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. বুলবুল এবং বুড়ইল ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাককে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃতদের অপকর্মের দায় দায়িত্ব দল নেবে না এবং তাদের সঙ্গে সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের জামে মসজিদের সামনে ছুরিকাঘাতে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী মিলন রহমান (১৬) নিহত হন। তিনি ওই গ্রামের দিলবর রহমানের ছেলে।
এ ছাড়া গত ১ মার্চ নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার দুই দিন পর ৩ মার্চ পৌর ছাত্রদল সভাপতি পলিনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রামে হত্যা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতাকর্মীকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার ৬ মার্চ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখ, পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুজন মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল শাকিল, মো. আসিফ এবং নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা যুবদল জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নন্দীগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. বুলবুল এবং বুড়ইল ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাককে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃতদের অপকর্মের দায় দায়িত্ব দল নেবে না এবং তাদের সঙ্গে সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের জামে মসজিদের সামনে ছুরিকাঘাতে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী মিলন রহমান (১৬) নিহত হন। তিনি ওই গ্রামের দিলবর রহমানের ছেলে।
এ ছাড়া গত ১ মার্চ নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার দুই দিন পর ৩ মার্চ পৌর ছাত্রদল সভাপতি পলিনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন