“পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় পাট দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তর, পঞ্চগড়ের যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার সকালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এই র্যালিতে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় কৃষক ও পাট ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বক্তারা পাটকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল হিসেবে অভিহিত করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন যে, পাট শিল্পের সঠিক উন্নয়ন ঘটলে গ্রামীণ অর্থনীতি যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি সৃষ্টি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ। বিশ্ববাজারে বর্তমানে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তারা পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি, পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার এবং কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, পাট শিল্পকে আধুনিকায়ন করা গেলে এটি দেশের অর্থনীতিতে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে পাটের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
“পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় পাট দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তর, পঞ্চগড়ের যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার সকালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এই র্যালিতে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় কৃষক ও পাট ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বক্তারা পাটকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল হিসেবে অভিহিত করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন যে, পাট শিল্পের সঠিক উন্নয়ন ঘটলে গ্রামীণ অর্থনীতি যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি সৃষ্টি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ। বিশ্ববাজারে বর্তমানে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তারা পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি, পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার এবং কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, পাট শিল্পকে আধুনিকায়ন করা গেলে এটি দেশের অর্থনীতিতে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে পাটের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন