শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় নিহত নৌ সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে ৬ মার্চ শুক্রবার জানানো হয়, দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদীদের’ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই আক্রমণ পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবারের এই অভিযানটি ছিল ইরান কর্তৃক পরিচালিত ২০তম হামলা।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের আকস্মিক হামলায় একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজের বেশ কয়েকজন নৌ সেনা প্রাণ হারান। এই ঘটনার পর তেহরান কঠোর সামরিক জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান এই হামলাটি নিহত নৌ সেনাদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শ্রীলঙ্কা উপকূলে এই নতুন সংঘাত এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় সমুদ্রপথের নিরাপত্তা যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় নিহত নৌ সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে ৬ মার্চ শুক্রবার জানানো হয়, দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদীদের’ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই আক্রমণ পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবারের এই অভিযানটি ছিল ইরান কর্তৃক পরিচালিত ২০তম হামলা।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের আকস্মিক হামলায় একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজের বেশ কয়েকজন নৌ সেনা প্রাণ হারান। এই ঘটনার পর তেহরান কঠোর সামরিক জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান এই হামলাটি নিহত নৌ সেনাদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শ্রীলঙ্কা উপকূলে এই নতুন সংঘাত এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় সমুদ্রপথের নিরাপত্তা যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন