হাইকোর্ট বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ভোট গণনার সময় অনিয়ম ও ত্রুটি থাকার অভিযোগ তুলে প্রথমে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে মামলা করেন। শুনানির পর আদালত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দেন।
উল্লেখযোগ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান খান ১,১৭,৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষণা হন। বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১,১৪,৫৯০ ভোট। বিজয়ের ব্যবধান ছিল প্রায় ৩,২০০ ভোট। এই আসনে মোট ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।
স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভোট পুনর্গণনার প্রস্তুতি শুরু করবেন। হাইকোর্টের এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পুনর্গণনার ফলাফল প্রকাশিত হলে তার পরবর্তী আইনগত ধাপও নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
হাইকোর্ট বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। বেঞ্চের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ভোট গণনার সময় অনিয়ম ও ত্রুটি থাকার অভিযোগ তুলে প্রথমে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে মামলা করেন। শুনানির পর আদালত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দেন।
উল্লেখযোগ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান খান ১,১৭,৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষণা হন। বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১,১৪,৫৯০ ভোট। বিজয়ের ব্যবধান ছিল প্রায় ৩,২০০ ভোট। এই আসনে মোট ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।
স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভোট পুনর্গণনার প্রস্তুতি শুরু করবেন। হাইকোর্টের এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পুনর্গণনার ফলাফল প্রকাশিত হলে তার পরবর্তী আইনগত ধাপও নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন