ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের অভিযানে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সিয়াম ও আবদুল্লাহ। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাদের আটক করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে স্থানীয় একটি কারখানার গেটের সামনে দীপু চন্দ্র দাসকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ভালুকার স্কয়ার মাস্টারবাড়ী মেইন রোড এলাকায় নিয়ে গিয়ে উত্তেজিত জনতার সামনে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, গ্রেফতার হওয়া সিয়াম ও আবদুল্লাহ ওই সময় জনতাকে উস্কানি দেওয়া এবং মরদেহ ঝুলিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করতে শুরু করে। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে একে একে বহু সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। সর্বশেষ এই দুইজন গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এটি একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড হওয়ায় তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে নিহত দীপু চন্দ্র দাসের পরিবার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে এবং এমন নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের অভিযানে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সিয়াম ও আবদুল্লাহ। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাদের আটক করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে স্থানীয় একটি কারখানার গেটের সামনে দীপু চন্দ্র দাসকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ভালুকার স্কয়ার মাস্টারবাড়ী মেইন রোড এলাকায় নিয়ে গিয়ে উত্তেজিত জনতার সামনে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, গ্রেফতার হওয়া সিয়াম ও আবদুল্লাহ ওই সময় জনতাকে উস্কানি দেওয়া এবং মরদেহ ঝুলিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করতে শুরু করে। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে একে একে বহু সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। সর্বশেষ এই দুইজন গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এটি একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড হওয়ায় তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে নিহত দীপু চন্দ্র দাসের পরিবার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে এবং এমন নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন