রংপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জামিনে বেরিয়ে হত্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকে হত্যাসহ বিভিন্ন গুরুতর মামলার আসামিদের একের পর এক জামিন দেওয়া হচ্ছে। গঙ্গাচড়া, পীরগাছা ও বদরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক পদধারী নেতা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং মামলার বাদী ও সাক্ষীদের 'দেখে নেওয়ার' হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপির কিছু নেতার সহযোগিতা এবং পুলিশের একাংশের নিষ্ক্রিয়তায় আসামিরা প্রকাশ্যে চলাফেরার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর মহানগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা তাদের পরিবারকে শঙ্কিত করে তুলেছে।
তবে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা অপরাধ করেছে বা করার চেষ্টা করবে তাদের অবশ্যই গ্রেপ্তার করা হবে এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
রংপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জামিনে বেরিয়ে হত্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকে হত্যাসহ বিভিন্ন গুরুতর মামলার আসামিদের একের পর এক জামিন দেওয়া হচ্ছে। গঙ্গাচড়া, পীরগাছা ও বদরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক পদধারী নেতা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং মামলার বাদী ও সাক্ষীদের 'দেখে নেওয়ার' হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএনপির কিছু নেতার সহযোগিতা এবং পুলিশের একাংশের নিষ্ক্রিয়তায় আসামিরা প্রকাশ্যে চলাফেরার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর মহানগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা তাদের পরিবারকে শঙ্কিত করে তুলেছে।
তবে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা অপরাধ করেছে বা করার চেষ্টা করবে তাদের অবশ্যই গ্রেপ্তার করা হবে এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

আপনার মতামত লিখুন