সরকার আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করছে, তবে এখনও তা চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে ঈদুল ফিতরের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি ধার্য করা হয়েছে। এই ছুটি ঈদ উদযাপনের দিনসহ তার আগে ও পরে নির্বাহী আদেশে নির্ধারিত।
সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে, এবং এটি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা আরামদায়ক করা এবং উৎসবকালে মানুষের উপযোগী সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলোতে বলা হয়েছে, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে (৫ মার্চ) ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা আছে, এবং ঠিক কতদিন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হবে তা সেই বৈঠকের পরই জানতে পারা যাবে।
ছুটির সম্ভাব্য বৃদ্ধি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা অনুযায়ী, যদি ছুটির শুরুতে বা শেষে অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়, তাহলে ছুটির মেয়াদ সাত থেকে সর্বোচ্চ দশ দিন পর্যন্তও বাড়তে পারে। এটি নির্ভর করবে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপর।
সরকারি পর্যায়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত ছাড়পত্র বা প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তাই ছুটির প্রকৃত সময়কাল ও তার বিস্তারিত নিয়মকানুন বৈধভাবে নিশ্চিত হওয়া বাকি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
সরকার আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করছে, তবে এখনও তা চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে ঈদুল ফিতরের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি ধার্য করা হয়েছে। এই ছুটি ঈদ উদযাপনের দিনসহ তার আগে ও পরে নির্বাহী আদেশে নির্ধারিত।
সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে, এবং এটি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা আরামদায়ক করা এবং উৎসবকালে মানুষের উপযোগী সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলোতে বলা হয়েছে, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে (৫ মার্চ) ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা আছে, এবং ঠিক কতদিন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হবে তা সেই বৈঠকের পরই জানতে পারা যাবে।
ছুটির সম্ভাব্য বৃদ্ধি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা অনুযায়ী, যদি ছুটির শুরুতে বা শেষে অতিরিক্ত দিন যোগ করা হয়, তাহলে ছুটির মেয়াদ সাত থেকে সর্বোচ্চ দশ দিন পর্যন্তও বাড়তে পারে। এটি নির্ভর করবে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপর।
সরকারি পর্যায়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত ছাড়পত্র বা প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তাই ছুটির প্রকৃত সময়কাল ও তার বিস্তারিত নিয়মকানুন বৈধভাবে নিশ্চিত হওয়া বাকি।

আপনার মতামত লিখুন