নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘর্ষে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ৩ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের লক্ষীতলা গ্রামে। এ ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম, পিতা মৃত আমির আলী, বাড়ি গোয়ালা খরিবোনা এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে ভাই–বোন ও তাদের স্বজনদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. বৈইফুল খাতুন বাদী হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মতিবুর ইসলাম (৫৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৭০), মো. আল মামুন (২০), মো. আব্দুর রায়হান (২০) ও মো. শফিকুল ইসলাম। তাদের অধিকাংশের বাড়ি গোয়ালা মাসনাতলা ও খরিবোনা এলাকায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘর্ষে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ৩ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের লক্ষীতলা গ্রামে। এ ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম, পিতা মৃত আমির আলী, বাড়ি গোয়ালা খরিবোনা এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে ভাই–বোন ও তাদের স্বজনদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. বৈইফুল খাতুন বাদী হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মতিবুর ইসলাম (৫৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৭০), মো. আল মামুন (২০), মো. আব্দুর রায়হান (২০) ও মো. শফিকুল ইসলাম। তাদের অধিকাংশের বাড়ি গোয়ালা মাসনাতলা ও খরিবোনা এলাকায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন