রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পাসে নিজেদের প্রভাব বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পালটা ধাওয়া এবং দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় লতিফ ছাত্রাবাসের ভেতরে বিভিন্ন কক্ষে হামলার ঘটনা ঘটে, যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি Rakibul Islam সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে দেশি অস্ত্র নিয়ে ছাত্রাবাসে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের এক সহযোদ্ধাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক Abu Sadik Kayem পাল্টা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাতের অন্ধকারে ছাত্রাবাসে ঢুকে শিবির কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। তিনি এটিকে ক্যাম্পাসে ‘দখলদারত্ব ও সহিংসতার পুনরাবৃত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) Ibne Mizan জানিয়েছেন, মধ্যরাতে মারামারির খবর পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালায় এবং গুরুতর আহতদের তথ্য নিশ্চিত করেন। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বর্তমান সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পাসে নিজেদের প্রভাব বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পালটা ধাওয়া এবং দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় লতিফ ছাত্রাবাসের ভেতরে বিভিন্ন কক্ষে হামলার ঘটনা ঘটে, যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি Rakibul Islam সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে দেশি অস্ত্র নিয়ে ছাত্রাবাসে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের এক সহযোদ্ধাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক Abu Sadik Kayem পাল্টা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাতের অন্ধকারে ছাত্রাবাসে ঢুকে শিবির কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। তিনি এটিকে ক্যাম্পাসে ‘দখলদারত্ব ও সহিংসতার পুনরাবৃত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) Ibne Mizan জানিয়েছেন, মধ্যরাতে মারামারির খবর পাওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালায় এবং গুরুতর আহতদের তথ্য নিশ্চিত করেন। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বর্তমান সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন