বগুড়ার কাহালু উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদনের দায়ে একটি কারখানাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার ০২ মার্চ (দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে) পবিত্র রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসন, বগুড়া ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে কাহালু উপজেলার কাজীপাড়া এলাকায় অবস্থিত “নাঈম রিমন লাচ্ছা সেমাই” কারখানায় একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল। সেমাই তৈরিতে পোড়া তেল ব্যবহার করা হচ্ছিল।
পণ্যের মোড়কে ভ্রান্ত ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এসব অপরাধে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাপোর্ট স্টাফরা। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এ সময় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে সরকারের সকল আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদনের দায়ে একটি কারখানাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার ০২ মার্চ (দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে) পবিত্র রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসন, বগুড়া ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে কাহালু উপজেলার কাজীপাড়া এলাকায় অবস্থিত “নাঈম রিমন লাচ্ছা সেমাই” কারখানায় একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল। সেমাই তৈরিতে পোড়া তেল ব্যবহার করা হচ্ছিল।
পণ্যের মোড়কে ভ্রান্ত ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এসব অপরাধে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট কারখানার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাপোর্ট স্টাফরা। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এ সময় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে সরকারের সকল আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন