রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পলাশি গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত এবং সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ডাকাতদলের ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, গভীর রাতে একটি ট্রাকে আটজন লোক ঘরের তালা কাটার যন্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্রসহ পলাশি বাজারে প্রবেশ করে। এসময় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। বাকি সাতজনকে আহত অবস্থায় আটকে রাখা হয়। সোমবার সকালে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে পাঠায়।
নিহত ব্যক্তির নাম শাহীন (৫৫)। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। আহতরা হলেন আলী হোসেন (৩৫), রুপচান আলী (৩৫), সেলিম হোসেন (৩০), সামিম হোসেন (৩০), শাজাহান আলী (৩০), রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও মামুন হোসেন (৩০)। বাকি সাতজনের বাড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, আটজনের মধ্যে একজনকে তারা মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। অন্য সাতজনকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহত শাহীনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পলাশি গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত এবং সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ডাকাতদলের ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, গভীর রাতে একটি ট্রাকে আটজন লোক ঘরের তালা কাটার যন্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্রসহ পলাশি বাজারে প্রবেশ করে। এসময় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। বাকি সাতজনকে আহত অবস্থায় আটকে রাখা হয়। সোমবার সকালে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেলে পাঠায়।
নিহত ব্যক্তির নাম শাহীন (৫৫)। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। আহতরা হলেন আলী হোসেন (৩৫), রুপচান আলী (৩৫), সেলিম হোসেন (৩০), সামিম হোসেন (৩০), শাজাহান আলী (৩০), রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও মামুন হোসেন (৩০)। বাকি সাতজনের বাড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, আটজনের মধ্যে একজনকে তারা মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। অন্য সাতজনকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহত শাহীনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন