যশোর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শংকরপুর এলাকায় আলোচিত আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে শংকরপুর ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়ালের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে ভিকটিম আলমগীর হোসেন (৫৫) নিজ ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে পৌঁছামাত্রই পিছন থেকে অনুসরণ করে আসা অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা চলন্ত অবস্থায় তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সক্রিয় ভূমিকা নেয়। এসআই (নিঃ) অলক কুমার দে পিপিএমের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে হত্যার মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০)সহ চারজনকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তীতে গ্রেফতার আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ঝুমঝুমপুর শিক্ষকপাড়া এলাকা থেকে মনিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন রাত ৮টা ১৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদের বিপরীত পাশে বন বিভাগ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কালো রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মনিরুল ইসলাম কোতোয়ালী থানার ষষ্ঠিতলা পাড়া (সার্কিট হাউজ মোড়) এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা আব্দুল খালেক এবং মাতা মনি বেগম। বর্তমানে তিনি ঝুমঝুমপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন।
ধৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। তাকে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য দিক নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
যশোর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শংকরপুর এলাকায় আলোচিত আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে শংকরপুর ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়ালের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে ভিকটিম আলমগীর হোসেন (৫৫) নিজ ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে পৌঁছামাত্রই পিছন থেকে অনুসরণ করে আসা অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা চলন্ত অবস্থায় তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সক্রিয় ভূমিকা নেয়। এসআই (নিঃ) অলক কুমার দে পিপিএমের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে হত্যার মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০)সহ চারজনকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তীতে গ্রেফতার আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ঝুমঝুমপুর শিক্ষকপাড়া এলাকা থেকে মনিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন রাত ৮টা ১৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদের বিপরীত পাশে বন বিভাগ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কালো রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মনিরুল ইসলাম কোতোয়ালী থানার ষষ্ঠিতলা পাড়া (সার্কিট হাউজ মোড়) এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা আব্দুল খালেক এবং মাতা মনি বেগম। বর্তমানে তিনি ঝুমঝুমপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন।
ধৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। তাকে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য দিক নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন