ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০৮ জন মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। ইরানের মিজান নিউজ এজেন্সির বরাতে আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
হামলার সময় স্কুলটিতে ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। প্রথমে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর সঙ্গে সঙ্গে নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ১০৮ জনে পৌঁছায় বলে মিনাবের প্রসিকিউশন দপ্তর নিশ্চিত করেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই হামলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই বর্বরোচিত হামলা বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না। ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মিনাব শহরের গভর্নর রোববার (১ মার্চ) একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলাকালেই গত শনিবার আকস্মিক এই সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এই হামলায় ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০৮ জন মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। ইরানের মিজান নিউজ এজেন্সির বরাতে আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
হামলার সময় স্কুলটিতে ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। প্রথমে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর সঙ্গে সঙ্গে নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ১০৮ জনে পৌঁছায় বলে মিনাবের প্রসিকিউশন দপ্তর নিশ্চিত করেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই হামলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই বর্বরোচিত হামলা বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না। ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মিনাব শহরের গভর্নর রোববার (১ মার্চ) একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলাকালেই গত শনিবার আকস্মিক এই সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এই হামলায় ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন