দেশের সকল পরিবারকে অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল জানিয়েছেন, এই কার্ডটি সার্বজনীন প্রকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারের জন্য প্রযোজ্য হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কার্ড বিতরণে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না। সব পরিবারকে ন্যায্যভাবে সুবিধা দেওয়া হবে।”
সরকার আগামী ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে পাইলট পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করবে। প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলায় প্রায় ৬,৫০০ পরিবার এই সুবিধা পাবেন। কার্ডধারীরা মাসিক ২,৫০০ টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে পাবেন। পাইলট প্রকল্পের সফলতা পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, “কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাব থাকবে না। সকল তথ্য যাচাই‑বাছাই করে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সুবিধা প্রদান করা হবে।”
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো দেশের সকল পরিবারকে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা এবং সমাজের ক্ষুদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হওয়া। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের সকল পরিবারকে অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল জানিয়েছেন, এই কার্ডটি সার্বজনীন প্রকল্প হিসেবে ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারের জন্য প্রযোজ্য হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কার্ড বিতরণে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না। সব পরিবারকে ন্যায্যভাবে সুবিধা দেওয়া হবে।”
সরকার আগামী ১০ মার্চ ২০২৬ থেকে পাইলট পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করবে। প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলায় প্রায় ৬,৫০০ পরিবার এই সুবিধা পাবেন। কার্ডধারীরা মাসিক ২,৫০০ টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে পাবেন। পাইলট প্রকল্পের সফলতা পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, “কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাব থাকবে না। সকল তথ্য যাচাই‑বাছাই করে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সুবিধা প্রদান করা হবে।”
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো দেশের সকল পরিবারকে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা এবং সমাজের ক্ষুদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হওয়া। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন