চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরীর সঙ্গে ঠিকাদার মহসিন হায়দারের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অডিওতে মহসিন হায়দার উপজেলা প্রকৌশলীকে উদ্দেশ্য করে প্রাণনাশের হুমকি ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অডিওর এক অংশে ঠিকাদার মহসিন হায়দার বলেন, “রুমে ঢুকে তোকে ফুটবলের মতো লাথি দেব, একেবারে উড়াই ফেলব। ব্যাংকে যে চিঠি লিখেছিস, সেটি সরিয়ে নে। আমার বিল আটকে রেখেছিস, বিল দেওয়ার ব্যবস্থা কর।” এছাড়া তিনি সরকারি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকির ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
অডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী ও মহসিন হায়দার উভয়েই। মহসিন হায়দার সাংবাদিকদের বলেন, ফটিকছড়ির দুর্গম এলাকায় স্কুলভবন নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়ায় এবং সময়মতো বিল না পাওয়ার অজুহাতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অশোভন ভাষা ব্যবহার করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে অনুতপ্ত থাকলেও ঘটনার জন্য নিজের রোষ প্রকাশ করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী জানান, “অনিয়মের কারণে বিল স্থগিত হওয়ায় ঠিকাদার ক্ষুব্ধ হয়ে হুমকি ও গালাগাল করেছেন। এর আগেও তিনি একইভাবে আমার অফিসে এসে হুমকি প্রদান করেছেন। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, “গালাগালি ও হুমকির বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রতি এমন আচরণ গুরুতর অপরাধের অংশ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরীর সঙ্গে ঠিকাদার মহসিন হায়দারের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অডিওতে মহসিন হায়দার উপজেলা প্রকৌশলীকে উদ্দেশ্য করে প্রাণনাশের হুমকি ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অডিওর এক অংশে ঠিকাদার মহসিন হায়দার বলেন, “রুমে ঢুকে তোকে ফুটবলের মতো লাথি দেব, একেবারে উড়াই ফেলব। ব্যাংকে যে চিঠি লিখেছিস, সেটি সরিয়ে নে। আমার বিল আটকে রেখেছিস, বিল দেওয়ার ব্যবস্থা কর।” এছাড়া তিনি সরকারি কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকির ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
অডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী ও মহসিন হায়দার উভয়েই। মহসিন হায়দার সাংবাদিকদের বলেন, ফটিকছড়ির দুর্গম এলাকায় স্কুলভবন নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়ায় এবং সময়মতো বিল না পাওয়ার অজুহাতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অশোভন ভাষা ব্যবহার করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে অনুতপ্ত থাকলেও ঘটনার জন্য নিজের রোষ প্রকাশ করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী জানান, “অনিয়মের কারণে বিল স্থগিত হওয়ায় ঠিকাদার ক্ষুব্ধ হয়ে হুমকি ও গালাগাল করেছেন। এর আগেও তিনি একইভাবে আমার অফিসে এসে হুমকি প্রদান করেছেন। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, “গালাগালি ও হুমকির বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রতি এমন আচরণ গুরুতর অপরাধের অংশ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন