রমজান মাস শুধু পানাহার বর্জনের মাস নয়, এ মাসে সব ধরনের পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত থেকে তাকওয়াসম্পন্ন জীবন গড়ার অনুশীলন করাই প্রকৃত রোজার উদ্দেশ্য।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ঈমানদারদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যাতে তারা তাকওয়াসম্পন্ন হতে পারেন (সুরা বাকারা-১৫৩)। তাকওয়ার মূল বিষয়ই হলো সর্বদা আল্লাহর ভয় অন্তরে জাগ্রত রেখে সব ধরনের নাফরমানি ও অবাধ্যতা থেকে দূরে থাকা।
রোজায় শুধু পুণ্যকাজে মনোনিবেশ করলেই হয় না, পাপ বর্জনও সমানভাবে জরুরি। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজা রেখেও অসত্য কথা ও অন্যায় কাজ ছাড়তে পারল না, তার পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বোখারি) আরেকটি হাদিসে তিনি রোজাদারকে অশ্লীল ভাষা ও বিবাদ-ঝগড়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হলে শুধু বলতে হবে — আমি রোজাদার।
ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত মুসলিম সে, যার হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে অন্যরা নিরাপদ থাকে। (মুসলিম) তাই রমজানে ব্যক্তিজীবনের ফরজ ইবাদত যথাযথ পালনের পাশাপাশি সমাজজীবনেও সতর্ক থাকতে হবে, যেন কেউ আমার কথা বা কাজে কষ্ট না পান।
গিবত-পরনিন্দা, হিংসা, মিথ্যা, অহংকার, দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ ও অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ — এসব পাপাচার থেকে রমজানে বিরত থাকার অনুশীলনই সারা বছরের জন্য পাপমুক্ত ও পরিশুদ্ধ জীবনের পথ তৈরি করে দেয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজান মাস শুধু পানাহার বর্জনের মাস নয়, এ মাসে সব ধরনের পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত থেকে তাকওয়াসম্পন্ন জীবন গড়ার অনুশীলন করাই প্রকৃত রোজার উদ্দেশ্য।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ঈমানদারদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যাতে তারা তাকওয়াসম্পন্ন হতে পারেন (সুরা বাকারা-১৫৩)। তাকওয়ার মূল বিষয়ই হলো সর্বদা আল্লাহর ভয় অন্তরে জাগ্রত রেখে সব ধরনের নাফরমানি ও অবাধ্যতা থেকে দূরে থাকা।
রোজায় শুধু পুণ্যকাজে মনোনিবেশ করলেই হয় না, পাপ বর্জনও সমানভাবে জরুরি। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজা রেখেও অসত্য কথা ও অন্যায় কাজ ছাড়তে পারল না, তার পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বোখারি) আরেকটি হাদিসে তিনি রোজাদারকে অশ্লীল ভাষা ও বিবাদ-ঝগড়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হলে শুধু বলতে হবে — আমি রোজাদার।
ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত মুসলিম সে, যার হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে অন্যরা নিরাপদ থাকে। (মুসলিম) তাই রমজানে ব্যক্তিজীবনের ফরজ ইবাদত যথাযথ পালনের পাশাপাশি সমাজজীবনেও সতর্ক থাকতে হবে, যেন কেউ আমার কথা বা কাজে কষ্ট না পান।
গিবত-পরনিন্দা, হিংসা, মিথ্যা, অহংকার, দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ ও অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ — এসব পাপাচার থেকে রমজানে বিরত থাকার অনুশীলনই সারা বছরের জন্য পাপমুক্ত ও পরিশুদ্ধ জীবনের পথ তৈরি করে দেয়।

আপনার মতামত লিখুন