জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ নিহতের ঘটনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসার নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার তদন্তের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালতের এখতিয়ারাধীন এবং প্রয়োজনে আরও গভীর তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভঙ্গুর দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “বিগত দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলেছিল। বর্তমান সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা, সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং একটি শক্তিশালী সুশাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”
নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে চিরঋণী। তারা সংকটময় সময়ে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে যে বিপুল আস্থা ও ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার প্রতিদান দিতে আমি সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী মাদরাসার নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করেন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ নিহতের ঘটনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসার নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার তদন্তের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালতের এখতিয়ারাধীন এবং প্রয়োজনে আরও গভীর তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভঙ্গুর দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “বিগত দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলেছিল। বর্তমান সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা, সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং একটি শক্তিশালী সুশাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”
নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে চিরঋণী। তারা সংকটময় সময়ে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে যে বিপুল আস্থা ও ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার প্রতিদান দিতে আমি সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী মাদরাসার নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করেন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন