চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় একজন ইটভাটা মালিকের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. শফিউল আলম। মামলায় আসামি করা হয়েছে ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী, তার সহযোগী আলাউদ্দিন এবং আরও দুই থেকে তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে আসামিরা ভুজপুর থানা এলাকায় ভুক্তভোগীর মালিকানাধীন 'এন এস ব্রিকফিল্ডে' এসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চার দিনের সময় বেঁধে দিয়ে চলে যান। নির্ধারিত সময়ের পর ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তারা পুনরায় ব্রিকফিল্ডে ফিরে এসে একই পরিমাণ অর্থ দাবি করেন। এ সময় ভুক্তভোগী শফিউলকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও মারধর করা হয়। চাঁদা না পেয়ে আসামিরা প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ওসমান গনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় একজন ইটভাটা মালিকের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. শফিউল আলম। মামলায় আসামি করা হয়েছে ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী, তার সহযোগী আলাউদ্দিন এবং আরও দুই থেকে তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে আসামিরা ভুজপুর থানা এলাকায় ভুক্তভোগীর মালিকানাধীন 'এন এস ব্রিকফিল্ডে' এসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চার দিনের সময় বেঁধে দিয়ে চলে যান। নির্ধারিত সময়ের পর ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তারা পুনরায় ব্রিকফিল্ডে ফিরে এসে একই পরিমাণ অর্থ দাবি করেন। এ সময় ভুক্তভোগী শফিউলকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও মারধর করা হয়। চাঁদা না পেয়ে আসামিরা প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ওসমান গনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন