আশুলিয়া ঢাকার আশুলিয়ায় ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোন্তাজ উদ্দিনের (মোন্তাজ মেম্বার) ওপর প্রকাশ্যে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা তার নিজ ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে, গাড়িতে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আরও চাঁদার দাবি করেছে। এ ঘটনায় চালক রাজু মারধরের শিকার হন এবং মাথায় আঘাত পেয়ে তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হামলায় প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে চেয়ারম্যান দাবি করেছেন।
মোন্তাজ উদ্দিনের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জহিরুল ইসলাম ওরফে মুরগি জহিরের নেতৃত্বে একটি চক্র আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তিনি বারবার হুমকির মুখে পড়েছেন। গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ স্থানীয় বাসিন্দা ও গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়ায় অভিযুক্তরা ক্ষুব্ধ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যানের অভিযোগ, মামলাবাজি ও জামিনে অর্থ ব্যয়ের অজুহাতে জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুরে সাপ্তাহিক গ্রাম্য আদালতের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তার প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায় এবং পরিষদ চত্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরে ফারুকনগর এলাকায় গাড়ির গতিরোধ করে হামলা চালানো হয়; হামলাকারীরা লাঠি, লোহার রড, জিআই পাইপ ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে গাড়ি ভাঙচুর এবং চেয়ারম্যান ও তার চালককে মারধর করে।
চেয়ারম্যান মো: মোন্তাজ উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে জানান, মৃত্যুভয় উপেক্ষা করেই তিনি মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তার অবস্থান অব্যাহত রাখবেন। তিনি ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর নির্দেশনা অনুসরণ করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাদক ও চাঁদাবাজ বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন এবং সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থানে থাকবেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি ঘটার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আশুলিয়া ঢাকার আশুলিয়ায় ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোন্তাজ উদ্দিনের (মোন্তাজ মেম্বার) ওপর প্রকাশ্যে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা তার নিজ ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে, গাড়িতে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আরও চাঁদার দাবি করেছে। এ ঘটনায় চালক রাজু মারধরের শিকার হন এবং মাথায় আঘাত পেয়ে তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হামলায় প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে চেয়ারম্যান দাবি করেছেন।
মোন্তাজ উদ্দিনের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জহিরুল ইসলাম ওরফে মুরগি জহিরের নেতৃত্বে একটি চক্র আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তিনি বারবার হুমকির মুখে পড়েছেন। গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ স্থানীয় বাসিন্দা ও গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়ায় অভিযুক্তরা ক্ষুব্ধ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যানের অভিযোগ, মামলাবাজি ও জামিনে অর্থ ব্যয়ের অজুহাতে জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুরে সাপ্তাহিক গ্রাম্য আদালতের বিচার কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তার প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায় এবং পরিষদ চত্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরে ফারুকনগর এলাকায় গাড়ির গতিরোধ করে হামলা চালানো হয়; হামলাকারীরা লাঠি, লোহার রড, জিআই পাইপ ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে গাড়ি ভাঙচুর এবং চেয়ারম্যান ও তার চালককে মারধর করে।
চেয়ারম্যান মো: মোন্তাজ উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে জানান, মৃত্যুভয় উপেক্ষা করেই তিনি মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তার অবস্থান অব্যাহত রাখবেন। তিনি ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর নির্দেশনা অনুসরণ করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাদক ও চাঁদাবাজ বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন এবং সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থানে থাকবেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি ঘটার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন