সৌদি আরব, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ গত শনিবার রমজান মাসে এক দিনে ওমরাহ পালনকারীর নতুন রেকর্ডের তথ্য প্রকাশ করেছে। এ দিনে মোট ৯ লাখ ৪ হাজার মুসল্লি ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন। এর আগে ২০২৫ সালের ৭ মার্চ এক দিনে সর্বাধিক ৫ লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করেছিলেন।
রমজান মাসে মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণের জন্য কড়াকড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কাবা শরিফের চারপাশের খোলা মার্বেল চত্বর, অর্থাৎ মাতাফ এলাকা, সারাদিন শুধু ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং মাগরিব, ইশা, তারাবি ও শেষ দশকের তাহাজ্জুদের নামাজের সময় মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে। তাই খোলা প্রাঙ্গণ ও নির্ধারিত এলাকায় নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মসজিদে প্রবেশ ও বহির্গমনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত দিকনির্দেশনা (সাইনেজ) অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া হাঁটার পথ, সড়ক ও খোলা প্রাঙ্গণে অননুমোদিত জমায়েত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ভিড় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। অননুমোদিত মোটরসাইকেল ও সাইকেল চলাচলও পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সৌদি আরব, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ গত শনিবার রমজান মাসে এক দিনে ওমরাহ পালনকারীর নতুন রেকর্ডের তথ্য প্রকাশ করেছে। এ দিনে মোট ৯ লাখ ৪ হাজার মুসল্লি ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন। এর আগে ২০২৫ সালের ৭ মার্চ এক দিনে সর্বাধিক ৫ লাখ মুসল্লি ওমরাহ পালন করেছিলেন।
রমজান মাসে মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণের জন্য কড়াকড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কাবা শরিফের চারপাশের খোলা মার্বেল চত্বর, অর্থাৎ মাতাফ এলাকা, সারাদিন শুধু ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং মাগরিব, ইশা, তারাবি ও শেষ দশকের তাহাজ্জুদের নামাজের সময় মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে। তাই খোলা প্রাঙ্গণ ও নির্ধারিত এলাকায় নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মসজিদে প্রবেশ ও বহির্গমনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত দিকনির্দেশনা (সাইনেজ) অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া হাঁটার পথ, সড়ক ও খোলা প্রাঙ্গণে অননুমোদিত জমায়েত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ভিড় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। অননুমোদিত মোটরসাইকেল ও সাইকেল চলাচলও পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন