খাগড়াছড়ি শহরের প্রধান সড়ক ও ব্যস্ততম পয়েন্টের ফুটপাতগুলো সবই ব্যবসায়ীদের দখলে। খাগড়াছড়ি পৌরসভার নির্মাণকৃত ড্রেনের পাশে তিনফুট ওয়াকওয়ে বা হাঁটার জন্য ফুটপাত রয়েছে। দুই-একটি ব্যতিক্রম ব্যতীত ডিসি অফিসের সামনে থেকে চেঙ্গী স্কোয়ার পর্যন্ত এমন ফুটপাত নির্মাণ করেছে পৌরসভা। কিন্তু বেশিরভাগ ফুটপাত দিয়ে হাঁটার জন্য জায়গা নেই। কারণ ফুটপাতগুলো সবই ব্যবসায়ীদের দখলে। বিভিন্ন মালামাল রেখে দখল করা হয়েছে। অনেক দোকানী ফুটপাতের অংশটি বিকাশ, সিগারেট-পান দোকানীর কাছে ভাড়া দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আল আকসা কিচেন নামের একটি হোটেল ফুটপাতের উপর ফুড কার্ট বসিয়ে রীতিমত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে খাগড়াছড়ির জনপ্রিয় গণি লাইব্রেরি ফুটপাতের একফুট রেখে বাকি অংশে বইসহ অন্যান্য মালামাল রেখে দখল করেছে। এছাড়াও ফুলকলির সামনে পান দোকানি পুরো ফুটপাত বন্ধ করে ব্যবসা করছে। এত জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে নারিকেল বাগান এলাকায় বাস কাউন্টার হওয়ায় বাসগুলোকে যাত্রীর জন্য সড়কে রাখা হয়। এত সড়কের প্রস্থ কমে গেছে। মোটরসাইকেল গ্যারেজগুলো প্রায়শ সড়কের একাংশ দখল করে মেরামত কাজ চালাচ্ছে।
অতিসত্ত্বর এই ফুটপাতগুলো উদ্ধার করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবী জানিয়েছে সাধারণ পথচারীরা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খাগড়াছড়ি শহরের প্রধান সড়ক ও ব্যস্ততম পয়েন্টের ফুটপাতগুলো সবই ব্যবসায়ীদের দখলে। খাগড়াছড়ি পৌরসভার নির্মাণকৃত ড্রেনের পাশে তিনফুট ওয়াকওয়ে বা হাঁটার জন্য ফুটপাত রয়েছে। দুই-একটি ব্যতিক্রম ব্যতীত ডিসি অফিসের সামনে থেকে চেঙ্গী স্কোয়ার পর্যন্ত এমন ফুটপাত নির্মাণ করেছে পৌরসভা। কিন্তু বেশিরভাগ ফুটপাত দিয়ে হাঁটার জন্য জায়গা নেই। কারণ ফুটপাতগুলো সবই ব্যবসায়ীদের দখলে। বিভিন্ন মালামাল রেখে দখল করা হয়েছে। অনেক দোকানী ফুটপাতের অংশটি বিকাশ, সিগারেট-পান দোকানীর কাছে ভাড়া দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আল আকসা কিচেন নামের একটি হোটেল ফুটপাতের উপর ফুড কার্ট বসিয়ে রীতিমত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে খাগড়াছড়ির জনপ্রিয় গণি লাইব্রেরি ফুটপাতের একফুট রেখে বাকি অংশে বইসহ অন্যান্য মালামাল রেখে দখল করেছে। এছাড়াও ফুলকলির সামনে পান দোকানি পুরো ফুটপাত বন্ধ করে ব্যবসা করছে। এত জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
এদিকে নারিকেল বাগান এলাকায় বাস কাউন্টার হওয়ায় বাসগুলোকে যাত্রীর জন্য সড়কে রাখা হয়। এত সড়কের প্রস্থ কমে গেছে। মোটরসাইকেল গ্যারেজগুলো প্রায়শ সড়কের একাংশ দখল করে মেরামত কাজ চালাচ্ছে।
অতিসত্ত্বর এই ফুটপাতগুলো উদ্ধার করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবী জানিয়েছে সাধারণ পথচারীরা।

আপনার মতামত লিখুন