ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে কোলের তিন মাস বয়সী শিশুকে চুরির নাটক সাজিয়েছেন সুমাইয়া বেগম নামে এক মা। শিশুটির খোঁজ পরে তার নিকটাত্মীয়ের কাছে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মালেরহাট সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উদ্ধার হওয়া শিশুটি সুমাইয়া বেগম ও তার স্বামী আব্দুর রবের কনিষ্ঠ কন্যা। গৃহবধু সুমাইয়া বুধবার সকালে স্বজনদের জানায়, তিনি তিন মাস বয়সী মেয়েকে কোলে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে দুই অজ্ঞাত নারী তার সঙ্গে কথা বলে তাকে ২০০ টাকার নোট দিয়ে দেন। নোট হাতে নেওয়ার পরপরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং শিশুটিকে ওই দুই নারী নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওসি মো. জিয়াউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ একাধিক টিম গঠন করে শিশুটিকে উদ্ধারের কাজ শুরু করে। শিশুটি বর্তমানে সুমাইয়ার খালা আমেনার কাছে রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়া স্বীকার করেছেন, তার খালাতো বোন নিঃসন্তান হওয়ায় তিনি নিজের সন্তানকে খালাকে দিয়েছেন এবং পুরো ঘটনার নেশাজাতীয় দ্রব্য দিয়ে অচেতন হওয়ার বিষয়টি নিজেই সাজানো।
পুলিশ শিশু উদ্ধারের জন্য একটি টিম পাঠিয়েছে, যা সম্ভবত বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ ফিরবে। সুমাইয়ার খালা আমেনাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পুরো ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলমান আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে কোলের তিন মাস বয়সী শিশুকে চুরির নাটক সাজিয়েছেন সুমাইয়া বেগম নামে এক মা। শিশুটির খোঁজ পরে তার নিকটাত্মীয়ের কাছে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মালেরহাট সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উদ্ধার হওয়া শিশুটি সুমাইয়া বেগম ও তার স্বামী আব্দুর রবের কনিষ্ঠ কন্যা। গৃহবধু সুমাইয়া বুধবার সকালে স্বজনদের জানায়, তিনি তিন মাস বয়সী মেয়েকে কোলে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে দুই অজ্ঞাত নারী তার সঙ্গে কথা বলে তাকে ২০০ টাকার নোট দিয়ে দেন। নোট হাতে নেওয়ার পরপরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং শিশুটিকে ওই দুই নারী নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওসি মো. জিয়াউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ একাধিক টিম গঠন করে শিশুটিকে উদ্ধারের কাজ শুরু করে। শিশুটি বর্তমানে সুমাইয়ার খালা আমেনার কাছে রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়া স্বীকার করেছেন, তার খালাতো বোন নিঃসন্তান হওয়ায় তিনি নিজের সন্তানকে খালাকে দিয়েছেন এবং পুরো ঘটনার নেশাজাতীয় দ্রব্য দিয়ে অচেতন হওয়ার বিষয়টি নিজেই সাজানো।
পুলিশ শিশু উদ্ধারের জন্য একটি টিম পাঠিয়েছে, যা সম্ভবত বৃহস্পতিবার সকাল নাগাদ ফিরবে। সুমাইয়ার খালা আমেনাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পুরো ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলমান আছে।

আপনার মতামত লিখুন