চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮ নং বাগাদী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে ডিএনসি বাজারে ডাকাতিয়া নদীর পারে ব্যবসা করে আসছেন আবদুল্লাহ আল হাবিব। গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক আইডি থেকে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন রাজুকে জড়িয়ে হাবিবের কাছে চাঁদা চাওয়ার মতো একটি বাকবিতণ্ডার ভিডিও ছড়ানো হয়। ভিডিওটি দেখেই এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরজমিনে খোঁজ নেওয়া হলে শ্রমিকরা জানান, আল আমিন রাজু এই ইউনিয়নের শ্রমিক নেতা। শ্রমিকদের কল্যাণে বিপদে আপদে তিনি সবসময় ছুটে আসেন। তার বিরুদ্ধে যে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, তা মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
মনির নামে এক শ্রমিক জানান, “আমি হাবিবের ঘাটে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। খাওয়া-দাওয়ার সমস্যার কারণে কাজ ছেড়ে দেই। নির্বাচনের পরে হাবিবের সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব হয় এবং সে আমাকে হুমকি দেয়। এ কারণে আল আমিন রাজু বিষয়টি সমাধান করতে এসে কথা বলেন, তবে চাঁদা তিনি নেননি।”
ঘাট মালিক আবদুল্লাহ আল হাবিবও বলেন, “আল আমিনের সঙ্গে আমার অভ্যন্তরীণ একটি বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে। কিছু মানুষ এটাকে বড় করে চাঁদাবাজির ইস্যু হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে। আল-আমিন রাজু আমার কাছ থেকে কোনো চাঁদা দাবি করেননি। বিভ্রান্ত হবেন না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮ নং বাগাদী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে ডিএনসি বাজারে ডাকাতিয়া নদীর পারে ব্যবসা করে আসছেন আবদুল্লাহ আল হাবিব। গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক আইডি থেকে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন রাজুকে জড়িয়ে হাবিবের কাছে চাঁদা চাওয়ার মতো একটি বাকবিতণ্ডার ভিডিও ছড়ানো হয়। ভিডিওটি দেখেই এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরজমিনে খোঁজ নেওয়া হলে শ্রমিকরা জানান, আল আমিন রাজু এই ইউনিয়নের শ্রমিক নেতা। শ্রমিকদের কল্যাণে বিপদে আপদে তিনি সবসময় ছুটে আসেন। তার বিরুদ্ধে যে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, তা মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
মনির নামে এক শ্রমিক জানান, “আমি হাবিবের ঘাটে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। খাওয়া-দাওয়ার সমস্যার কারণে কাজ ছেড়ে দেই। নির্বাচনের পরে হাবিবের সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব হয় এবং সে আমাকে হুমকি দেয়। এ কারণে আল আমিন রাজু বিষয়টি সমাধান করতে এসে কথা বলেন, তবে চাঁদা তিনি নেননি।”
ঘাট মালিক আবদুল্লাহ আল হাবিবও বলেন, “আল আমিনের সঙ্গে আমার অভ্যন্তরীণ একটি বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে। কিছু মানুষ এটাকে বড় করে চাঁদাবাজির ইস্যু হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে। আল-আমিন রাজু আমার কাছ থেকে কোনো চাঁদা দাবি করেননি। বিভ্রান্ত হবেন না।

আপনার মতামত লিখুন