সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে ভাগ্য খুলেছে একদল জেলের। টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজান ও হারুনের মালিকানাধীন একটি ট্রলারে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২১ জন মাঝি-মাল্লা মাছ ধরতে সমুদ্রে যান। ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলেরা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান এবং জাল ফেললে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল ধরা পড়ে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে মাছবোঝাই ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছালে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ধরা পড়া মাছগুলোর মোট ওজন ছিল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কেজি বা ১৩৪ মণ। প্রতিটি মাছের গড় ওজন ছিল সাড়ে ৪ কেজির বেশি। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রশিদ আহমদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে সব মাছ কিনে নেন, যার মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
মাছ ব্যবসায়ী রশিদ আহমদ জানান, এক জালে এত বিপুল সংখ্যক লাল কোরাল ধরা পড়া সত্যিই একটি বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ইতোমধ্যে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার ও আব্দুল্লাহপুরের আড়তে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ট্রলার মালিক মিজান জানান, ১১০০টি মাছের মধ্যে ১০০টি মাঝি-মাল্লাদের পরিবারের খাওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা জানান, লাল কোরাল মূলত ভেটকি মাছের একটি প্রজাতি, যার বৈজ্ঞানিক নাম Lates calcarifer। সামুদ্রিক লোনা পানির অনুকূল পরিবেশে এই মাছ প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে। বড় ঝাঁকে মাছগুলো ধরা পড়ায় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে ভাগ্য খুলেছে একদল জেলের। টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজান ও হারুনের মালিকানাধীন একটি ট্রলারে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২১ জন মাঝি-মাল্লা মাছ ধরতে সমুদ্রে যান। ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলেরা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান এবং জাল ফেললে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল ধরা পড়ে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে মাছবোঝাই ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছালে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ধরা পড়া মাছগুলোর মোট ওজন ছিল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কেজি বা ১৩৪ মণ। প্রতিটি মাছের গড় ওজন ছিল সাড়ে ৪ কেজির বেশি। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রশিদ আহমদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে সব মাছ কিনে নেন, যার মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
মাছ ব্যবসায়ী রশিদ আহমদ জানান, এক জালে এত বিপুল সংখ্যক লাল কোরাল ধরা পড়া সত্যিই একটি বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ইতোমধ্যে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার ও আব্দুল্লাহপুরের আড়তে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ট্রলার মালিক মিজান জানান, ১১০০টি মাছের মধ্যে ১০০টি মাঝি-মাল্লাদের পরিবারের খাওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা জানান, লাল কোরাল মূলত ভেটকি মাছের একটি প্রজাতি, যার বৈজ্ঞানিক নাম Lates calcarifer। সামুদ্রিক লোনা পানির অনুকূল পরিবেশে এই মাছ প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে। বড় ঝাঁকে মাছগুলো ধরা পড়ায় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন