ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে পড়ে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মৌসুমী আক্তার (২০) জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজেদুল ইসলামের মেয়ে বলে হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকালে মৌসুমী তার মায়ের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তিনি নতুন ভবনের ষষ্ঠ তলায় উঠে নিচে লাফ দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের কর্মচারী ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ইউসুফ আলী জানান, মৌসুমী প্রায় দেড় বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসার মাধ্যমে কিছু সময় তিনি স্বাভাবিক থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে তার অবস্থার অবনতি হয়। উন্নত চিকিৎসার আশায় বুধবার তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল বলে তিনি জানান। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক অসুস্থতার কারণেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। পরিবার ও উপস্থিত ব্যক্তিদের প্রাথমিক বর্ণনার ভিত্তিতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, তরুণী ভবন থেকে লাফ দিয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পর হাসপাতাল এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং পুলিশ পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে পড়ে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মৌসুমী আক্তার (২০) জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজেদুল ইসলামের মেয়ে বলে হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকালে মৌসুমী তার মায়ের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তিনি নতুন ভবনের ষষ্ঠ তলায় উঠে নিচে লাফ দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের কর্মচারী ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ইউসুফ আলী জানান, মৌসুমী প্রায় দেড় বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসার মাধ্যমে কিছু সময় তিনি স্বাভাবিক থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে তার অবস্থার অবনতি হয়। উন্নত চিকিৎসার আশায় বুধবার তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল বলে তিনি জানান। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক অসুস্থতার কারণেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। পরিবার ও উপস্থিত ব্যক্তিদের প্রাথমিক বর্ণনার ভিত্তিতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, তরুণী ভবন থেকে লাফ দিয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পর হাসপাতাল এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং পুলিশ পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।

আপনার মতামত লিখুন