নোয়াগাঁও ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ছোট ও মাঝারি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি বিএলও ওয়্যার নেইল ইন্ডাস্ট্রিজ। কারখানার মালিক নোয়াগাঁওয়ের শারীরিক প্রতিবন্ধী মনোয়ার হোসেন ওরফে অপু (৪৩)। কারখানার উৎপাদিত জিআই তার যন্ত্রপাতি সুইজারল্যান্ড, জার্মানি এবং ১২টি দেশে রপ্তানি করা হয়। মনোয়ার হোসেন ২০২০ সালে সাড়ে ১০ শতাংশ জমি কিনে এই কারখানা গড়ে তুলেন।
কারখানার ব্যবস্থাপক অলিউল্লাহ জানিয়েছেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি কারখানায় হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় কর্মীদের মারধর করা হয়, সিসিটিভি ভেঙে ফেলা হয় এবং ট্রাক ব্যবহার করে মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল লুট করা হয়। হামলার কারণে দুই দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল, পরে শিল্প পুলিশের পাহারায় সীমিতভাবে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলাকারীরা বিএনপির রূপগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের পরিচয় ব্যবহার করে ১০ লাখ টাকা এককালীন এবং মাসে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার সময় ব্যবস্থাপক অলিউল্লাহ খান ও কর্মচারী জুলহাস উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
মালিক মনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, মামলা করার সময় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ মাহফুজুর রহমানের নাম বাদ দিতে বলেন। বাধ্য হয়ে মামলায় মাহফুজুর রহমানের নাম বাদ দিয়ে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বেলায়েত আকনকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলায় আরও ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীরা নগদ অর্থসহ ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার পণ্য লুট করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের উপর পূর্বেও কম-বেশি চাঁদা দাবি করা হতো, কিন্তু ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনি কারও নাম বাদ দিতে বলেননি। এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মামুন মাহমুদ জানিয়েছেন, দলের পরিচয়ের কারণে কেউ ছাড় পাবে না, ঘটনার সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত থাকুন, তারা অপরাধীরূপে বিবেচিত হবেন।
এ পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হননি; পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং মামলা অন্য সংস্থায় দেওয়ার কথাও ভাবছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াগাঁও ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ছোট ও মাঝারি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি বিএলও ওয়্যার নেইল ইন্ডাস্ট্রিজ। কারখানার মালিক নোয়াগাঁওয়ের শারীরিক প্রতিবন্ধী মনোয়ার হোসেন ওরফে অপু (৪৩)। কারখানার উৎপাদিত জিআই তার যন্ত্রপাতি সুইজারল্যান্ড, জার্মানি এবং ১২টি দেশে রপ্তানি করা হয়। মনোয়ার হোসেন ২০২০ সালে সাড়ে ১০ শতাংশ জমি কিনে এই কারখানা গড়ে তুলেন।
কারখানার ব্যবস্থাপক অলিউল্লাহ জানিয়েছেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি কারখানায় হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় কর্মীদের মারধর করা হয়, সিসিটিভি ভেঙে ফেলা হয় এবং ট্রাক ব্যবহার করে মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল লুট করা হয়। হামলার কারণে দুই দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল, পরে শিল্প পুলিশের পাহারায় সীমিতভাবে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলাকারীরা বিএনপির রূপগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের পরিচয় ব্যবহার করে ১০ লাখ টাকা এককালীন এবং মাসে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার সময় ব্যবস্থাপক অলিউল্লাহ খান ও কর্মচারী জুলহাস উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
মালিক মনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, মামলা করার সময় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ মাহফুজুর রহমানের নাম বাদ দিতে বলেন। বাধ্য হয়ে মামলায় মাহফুজুর রহমানের নাম বাদ দিয়ে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বেলায়েত আকনকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলায় আরও ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীরা নগদ অর্থসহ ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার পণ্য লুট করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের উপর পূর্বেও কম-বেশি চাঁদা দাবি করা হতো, কিন্তু ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনি কারও নাম বাদ দিতে বলেননি। এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মামুন মাহমুদ জানিয়েছেন, দলের পরিচয়ের কারণে কেউ ছাড় পাবে না, ঘটনার সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত থাকুন, তারা অপরাধীরূপে বিবেচিত হবেন।
এ পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হননি; পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং মামলা অন্য সংস্থায় দেওয়ার কথাও ভাবছে।

আপনার মতামত লিখুন